অযোধ্যা : সারা দেশ থেকে অনুদান এল রাম মন্দির গঠনের জন্য। এখনও পর্যন্ত রাম জন্মভূমি ট্রাস্টের তহবিলে জমা পড়েছে ৪১ কোটি টাকা। সূত্রের খবর রাম মন্দির গঠন হওয়ার আগে থেকেই এই তহবিল জমা হতে শুরু করেছে। মঙ্গলবার পর্যন্ত এই ৪১ কোটি টাকা জমা পড়েছে।

মন্দির কর্তৃপক্ষ সূত্রে খবর বুধবারের অনুদানের অর্থ এখনও এর মধ্যে ধরা হয়নি। বুধবার মন্দিরের ভূমি পুজোর দিন সেখানে অনুদান করেন ধর্মীয় গুরুরা। এর মধ্যে রয়েছেন পরমার্থ নিকেতনের স্বামী চিদানন্দ সরস্বতী, জুনা আখড়ার স্বামী অভধেশানন্দ গিরি, বাবা রামদেব ও অন্যান্যরা।

ট্রাস্টের কোষাধ্যক্ষ স্বামী গোবিন্দ দেব গিরি জানান, মঙ্গলবার পর্যন্ত ৩০ কোটি টাকা জমা পড়েছে। সেদিনই ১১কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন মুরারি বাবু। ফলে আপাতত ৪১ কোটি টাকা রয়েছে ভাঁড়ারে। মন্দিরের তরফ থেকে জানানো হয়েছে রাম মন্দির তৈরির জন্য এই করোনা আবহেও টাকা দান করেছেন দেশের বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ।

অনলাইনেও অনুদান দিচ্ছেন ভক্তরা বলে রাম মন্দির ট্রাস্টের তরফে জানানো হয়েছে। পাঁচ হাজার মানুষ এখনও পর্যন্ত এই পদ্ধতিতে টাকা দান করেছেন মন্দির তৈরিতে। উল্লেখ্য মানুষ ১১ টাকাও দান করেছেন। মন্দির কর্তৃপক্ষ জানাচ্ছেন, যার যেরকম সাধ্য, তিনি সেইভাবেই দান করেছেন। বড় অঙ্কের অনুদানগুলি চেক বা ই-ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আসছে।

ট্রাস্ট জানাচ্ছে প্রবাসী ভারতীয়দের থেকে তাঁরা অনুদান নিচ্ছেনা না। কারণ এতে ফরেন কনট্রিবিউশন রেগুলেশন অ্যাক্টের আওতায় অপরাধ করা হবে। যদি সেই অর্থ নেওয়া যেত, তবে আরও ৫-৭ কোটি টাকা তহবিলে জমা পড়ত। ট্রাস্ট আরও জানিয়েছে, যে কোনও ধর্ম ও বর্ণের মানুষ রাম মন্দিরের জন্য অনুদান দিতে পারেন।

এদিকে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর হাত ধরেই ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন হয়ে গেল রামমন্দিরের। দীর্ঘদিনের লড়াইয়ের অবসান। তৈরি হল নয়া এক যুগের। গোটা রাষ্ট্রের প্রতিনিধি হিসাবে ভূমিপুজো করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। পুজোয় উপস্থিত ছিলেন উত্তরপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। ছিলেন মোহন ভগবত। এছাড়াও ছিলেন সাধু-সন্তরা। গনেশ পুজো দিয়ে শুরু হয় ভূমিপুজো।

বুধবার মাত্র ৩২ সেকেন্ডের জন্য স্থায়ী হয় পূন্য লগ্ন। ১২ টা ৪৪ মিনিট ৮ সেকেন্ড থেকে ১২ টা ৪৪ মিনিট ৪০ সেকেন্ড পর্যন্ত সেই মহরত স্থায়ী থাকবে। আগেই জানানো হয়েছিল।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা