নয়াদিল্লি: গত সপ্তাহে বুধবার তেলেঙ্গানার তরুণীখে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় শিউরে ওঠে গোটা দেশ। শুক্রবার ভোরে সেই ঘটনায় অভিযুক্তদের এনকাউন্টারে মৃত্যুর খবর এসেছে। এরপরই প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহল থেকে।

ধর্ষিতার পরিবার ধন্যবাদ জানিয়েছে পুলিশকে। সুবিচার পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছেন তাঁরা। তবে পুলিশের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে। এর মধ্যেই প্রতিক্রিয়া দিলেন মায়াবতী।

এদিন তিনি বলেন, ‘উত্তরপ্রদেশে মহিলাদের সঙ্গে দুষ্কর্মের ঘটনা বাড়ছে। কিন্তু সেখানকার সরকার ঘুমোচ্ছে। উত্তরপ্রদেশে আর দিল্লি পুলিশের উচিৎ হায়দরাবাদ পুলিশের কাছ থেকে শেখা। কিন্তু দুর্ভাগ্যজনকভাবে অপরাধীদের সেখানে অতিথির মত রাখা হয়।’

শুক্রবার ভোররাতে পুলিশের এনকাউন্টারে মৃত্যু হয়েছে তেলেঙ্গানা ধর্ষণের চার অভিযুক্তের। ৪৪ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর এই এনকাউন্টারের ঘটনা ঘটে। ওই পথেই পালানোর চেষ্টা করছিল অভিযুক্তরা।

শাদনগরের যে রাস্তায় ওই চিকিৎসকের অগ্নিদগ্ধ দেহ পাওয়া গিয়েছিল, সেখানেই এই ঘটনা ঘটে। চারজনই পুলিশের গুলিতে মারা গিয়েছে বলে জানিয়েছে তেলেঙ্গানা পুলিশ। প্রাথমিক রিপোর্ট অনুযায়ী, ঘটনার পুনর্নিমাণের জন্য তাদের ওই জায়গায় নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, তখনই তারা পালানোর চেষ্টা করলে গুলি চালায় পুলিশ।

গত সপ্তাহে বুধবার এই ঘটনা ঘটেছে, যাতে শিউরে উঠেছে গোটা দেশ। ২৬ বছরের ওই তরুণীর আধপোড়া দেহাংশ উদ্ধারের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই চার অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে সাইবারাবাদ পুলিশ। মহম্মদ আরিফ (২৬), জল্লু শিবা (২০), জল্লু নবীন (২০) এবং চিন্তকুন্ত চেন্নাকেশভুলু (২০) নামে এই চার জনই ট্রাকের কর্মী। তাদের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারায় খুন, ৩৭৫ ধারায় ধর্ষণ ও ৩৬২ ঝারায় অপহরণের অভিযোগ আনা হয়।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা