নিউইয়র্ক : বাতাসে অল্প সময়ের জন্য থাকা বায়ু দূষণও ক্ষতিকারক হতে পারে। এবং তা ক্ষতি করছে মনের। হ্যাঁ, একদমই ঠিক পড়ছেন। ভাবনা চিন্তা সহ আপনার যে সব ইন্দ্রিয় চেতনা বোধ তৈরি করে তার উপর আঘাত হানছে। এমনটাই বলছে গবেষণা।
দূষণ শরীরের জন্য খারাপ তা সবার জানা কিন্তু তা যে মানুষের মানসিক চেতনা বোধেও আঘাত হানতে সক্ষম হচ্ছে তা জানা ছিল না। কিন্তু এমনটা হচ্ছে। সম্প্রতি একটি  গবেষণার মাধ্যমে এমন তথ্যই প্রকাশ্য এসেছে। কেমন সেই অল্প সময়ের দূষণ। জানা যাচ্ছে , বনে আগুন লেগে যাওয়া, ধোঁয়াশা, সিগারেটের ধোঁয়া, চারকোল গ্রিল, গ্রিডলক ট্রাফিক এসব থেকেই এই নয়া এবং অদ্ভুত রকম সমস্যা গোপনে বড় হচ্ছে। এর থেকে বাঁচবার উপায়ও আছে। এসপিরিন। হ্যাঁ, এর মাধ্যমেই রোখা যেতে পারে এই ধরণের সমস্যা।
এসপিরিন প্রচলিত ওষুধের মধ্যে অন্যতম প্রয়োজনীয় একধরনের ওষুধ। এটি দূষণ থেকে চেতনায় সমস্য আসলে সেই সমস্যার হাল করতেও কাজে লাগছে বলে মনে করছেন চিকিৎসকরা। সাধারণত ব্যথা, জ্বরে ও বিভিন্ন রোগের চিকিৎসা করতে দেশে-বিদেশে ব্যবহার হয় এটি। এসপিরিন উইলো গাছের ছাল থেকে সংগ্রহ করা হয়।
কম করেও আড়াই হাজার বছর আগে থেকে মানব কল্যাণে ব্যবহার করা হয়ে আসছে। কিন্তু তা বিভিন্ন আলাদা আলাদা নামে ব্যবহার করা হয়। লো ডোজ এসপিরিন চিকিৎসা ক্ষেত্রে প্রায় একশো বছর ধরে ব্যবহৃত হচ্ছে। মাথাব্যথার জন্য এটি ব্যবহার করা হয়। এর অপর নাম, এসিটাইল সেলিসাইলিক এসিড। উনিশ শতকের মাঝামাঝি সময় থেকে এর উপকারিতা বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিস্থাপিত হয়। এরওর থেকে সেটি নতুন মাত্রায় ব্যবহার করা শুরু হয়।
লো ডোজ এসপিরিন জীবন রক্ষাকারী ওষুধ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। কম দামে বিশ্বের বহু মানুষ এটি আজ ব্যবহার করছে।
কীভাবে এটি যে কাজ করে? রক্তের অনুচক্রিকা বা প্লাটিলেটের বিরুদ্ধে এন্টি প্লাটিলেট হিসেবে রক্ত জমাট বাঁধার প্রবণতা কমিয়ে দেয়। রক্তকে পাতলা রাখে। কোনওভাবেই জমাট বাঁধা বাঁধতে দেয় না।
হার্ট এটাকে,  করনারি সিন্ড্রমে, করনারি বাইপাসে, ব্রেন স্ট্রোকে,দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপে, ব্যবহার করা হয়। এমন কি ধূমপায়ীদেরও ক্ষেত্রেও এটি ব্যবহার করা যায়।
এসপিরিন প্রতিদিন খাওয়া যেতে পারে।  কিছু রোগ থাকলে এসপিরিন খাওয়া উচিত নয়। যেমন- এসপিরিন এলার্জি,পেপটিক আলসার, হেমোফিলিয়,  এজমা, অতিরিক্ত রক্তচাপ, কিডনী ও লিভার প্রবলেম।
এসপিরিনেরও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে, যেমন- পাকস্থলী ও নাড়ীতে ক্ষত, হজমে অসুবিধা, বমি বমি ভাব, এজমা বেড়ে যাওয়া, পাকস্থলীতে বা চর্মে রক্তপাত ইত্যাদি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.