ক্যানিং: ক্যানিং-এর গোলাবাড়িতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব ৷ গন্ডগোলের সময় চলল গুলি৷ সংঘর্ষে আহত উভয় পক্ষের ৬৷ এমনই স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে৷ স্থানীয় সূত্রে খবর,শুক্রবার সকালে ক্যানিং-এর গোলাবাড়িতে বিবাদমান দু’টি গোষ্ঠীর মধ্যে গন্ডগোল বাধে৷ প্রথমে বচসা পরে ইটবৃষ্টি চলে বলে অভিযোগ৷ এমনকি গন্ডগোলের সময় গুলি চলে বলেও অভিযোগ৷ সংঘর্ষে আহত উভয় পক্ষের ৬ জন৷

যুব তৃণমূল নেতা ইন্দ্রজিৎ সর্দারের অভিযোগ,এলাকা দখল করার জন্য তৃণমূলের অঞ্চল সভাপতি তথা উপ প্রধানের অনুগামীরা হামলা চালায়৷ দুস্কৃতিরা যুব তৃণমূল কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি চালায়৷ চার রাউন্ড গুলি চলে বলে অভিযোগ৷

পাল্টা অভিযোগ অঞ্চল সভাপতির অনুগামীদের,যে এলাকা দখল করার জন্য যুব তৃণমূল কর্মীরাই হামলা চালায়৷ তবে শাসক দল গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা অস্বীকার করেছে৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে ক্যানিং থানার পুলিশ৷ পরে বারুইপুর পুলিশ জেলার বিশাল পুলিশ বাহিনী এলাকায় পৌঁছায়৷ এলাকায় পুলিশি টহলদারির পাশাপাশি চলছে তল্লাশি৷

এর আগে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বাসন্তীতে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের অভিযোগ উঠেছিল৷ সেদিনও গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের জেরে চলেছিল গুলি৷ এমনই অভিযোগ ছিল৷ ওই ঘটনায় তৃণমূলের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছিল৷ অভিযোগ, আমির আলিকে গুলি করে খুন করেছিল যুব তৃণমূলের সমর্থকরা৷ যদিও সেই সময় অভিযোগ অস্বীকার করেছিল যুব তৃণমূল৷

তারও আগে পূর্ব মেদিনীপুরের কাঁথিতে বসন্তিয়া অঞ্চলের উপপ্রধানকে মারধরের অভিযোগ দলের অঞ্চল সভাপতির বিরুদ্ধে৷ এই ঘটনায় কাঁথি-মুকুন্দপুর রাস্তায় কাঠের গুঁড়ি ফেলে অবরোধও করা হয়৷ যদিও উভয় তাদের বিরুদ্ধে উঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছিল৷

এছাড়া পূর্ব মেদিনীপুর জেলার মহিষাদল ব্লকের বেতকুন্ডু গ্রাম পঞ্চায়েতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তৃণমূলেরই অভিযোগ৷ তৃণমূলের অঞ্চল প্রধানের বিরুদ্ধে একাধিক দুর্নীতির অভিযোগ নিয়ে সরব হয়েছিল তৃণমূলেরই নেতাকর্মীরা৷

বেতকুন্ডু অঞ্চলের প্রধান মধুমিতা দাস হালদারের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তুলে অফিস ঘেরাও করে রাখেন বেশকিছু তৃণমূল কংগ্রেস নেতা ও কর্মীরা। তাদের অভিযোগ, প্রধান মধুমিতা দাস কোনও রকম জেনারেল মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন না। এছাড়াও সরকারি বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা তিনি তার ঘনিষ্ঠদের পাইয়ে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দেন। আর যা থেকে বঞ্চিত থাকেন উপযুক্ত প্রাপক স্থানীয় মানুষ।যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছিল অঞ্চল প্রধান মধুমিতা দাস৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.