প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ফের প্রকাশ্যে শ্যুট আউট। ঘটনাস্থল উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুরের মায়াপল্লী। ঘটনায় গুলিবিদ্ধ হয়েছেন স্থানীয় প্রোমোটার নেপাল দাস। গোটা ঘটনায় ব্যপক উত্তেজনা ছড়িয়েছে ইছাপুরের মায়াপল্লী এলাকায়।

জানা গিয়েছে, এলাকায় তৃণমূলের সমর্থক হিসেবে পরিচিত নেপাল দাসকে বুধবার ৩ জন দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে খুব কাছ থেকে গুলি করে। এছাড়াও নেপালের বৌদি চম্পা দাস উত্তর বারাকপুর পুরসভা এলাকার ২ নম্বর ওয়ার্ডের প্রাক্তন তৃণমূল কাউন্সিলর ছিলেন। দিন কয়েক আগে চম্পা দেবীকেও গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছিল বলে দাবি। তবে সেই সময় চম্পা দাস প্রাণে বেঁচে যান ।

উত্তর ২৪ পরগনার ইছাপুর মায়াপল্লী এলাকাতেই বাড়ি নেপাল দাসের। স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, নেপাল নিজের স্কুটিতে করে মায়াপল্লীতে বাড়ির দিকে যাচ্ছিল, সেই সময় অন্য বাইকে করে আসা ৩ জন দুষ্কৃতী খুব কাছ থেকেই নেপালকে লক্ষ্য করে পর পর বেশ কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। নেপালের মাথার পাশে ও পিঠে মোট ২ টি গুলি লাগে।

এরপর স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে প্রথমে বারাকপুর বি এন বসু ও পরে কলকাতার অ্যাপেলো হাসপাতালে নিয়ে যায়।এদিকে যে দুষ্কৃতীরা গুলি করেছিল, তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে চম্পট দেয়। এই ঘটনার পরই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় নোয়াপাড়া থানার পুলিশ । পুলিশ এই ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, জমিজমা সংক্রান্ত বিবাদের জেরে এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে । নেপাল দাস ও গোপাল দাস দুই ভাই এক সময় ইছাপুর মায়াপল্লী অঞ্চলের কুখ্যাত দুষ্কৃতী বলে পরিচিত ছিল। কয়েক বছর আগে পথ দুর্ঘটনায় গোপাল দাসের মৃত্যু হয় । নেপাল দাস বর্তমানে প্রোমোটার ছিল।

জানা গিয়েছে, ইছাপুর মায়াপল্লী এলাকায় বুধবার বিকেলে নিজের বাড়ি থেকে কিছুটা দূরে রাস্তার উপরেই গুলিবিদ্ধ হন তিনি । প্রমোটারি শত্রুতা সংক্রান্ত বিষয়ের এই ঘটনা ঘটে থাকতে পারে, এমনটাই প্রাথমিক ভাবে মনে করছে পুলিশ।

এই ঘটনার পর ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের যুগ্ম পুলিশ কমিশনার সহ উচ্চ পদস্থ পুলিশের টিম ঘটনার তদন্তে আসে। পুলিশ জানিয়েছে, দুষ্কৃতীদের খোঁজ চলছে। শীঘ্রই ধরা পড়বে দুষ্কৃতীরা ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।