কলকাতা: প্রত্যেক বাঙালির অতিব দুর্বল জায়গা হল খাবার৷ যার জন্য অর্ধেক বাঙালি জিমের নাম শুনলেই পেছন ঘুরে দাঁড়ায়৷ বাঙালিদের সেই মোক্ষম জায়গায় ঘা দিলেন পরিচালক সুজিত সরকার৷

গন্ধরাজ লেবুর ছবি আপলোড করে যা ক্যাপশন দিয়েছেন তাতে কারও আর বিদেশি স্যান্ডউইচে মন যাবে না৷ নিজের বাড়ির গন্ধরাজ লেবুর গাছ৷ বড়ো বড়ো লেবু হতেই সেই ছবি তুলে ট্যুইটারে আপলোড করেছেন সুজিত৷ সঙ্গে বেশ সুন্দর ক্যাপশনও দিয়েছেন সুজিত৷

তিনি লিখেছেন, “ডাল আর ভাত দিয়ে গন্ধরাজ লেবু৷ এর থেকে ভালো ভাবে গন্ধরাজ লেবুর ব্যবহার করার কোনও উপায় নেই৷” সেই ছবি দেখতেই স্বাভাবিকভাবে সকল বাঙালির রিলেট করতে পেরেছে৷ অন্যদিকে তাঁর সেই ছবিতে সুদীপা যা কমেন্ট করেছে তা দেখে আপামর বাঙালি আর কোনও ডায়েট চার্ট ফোলো করতে পারবে না৷ সুদীপা আরও একটি রেসিপি শেয়ার করে লিখেছেন, “চিংড়ি অথবা বাসা অথবা ভেটকি মাছের সঙ্গে রসুন বাটা, কাঁচালঙ্কা বাটা, ঠান্ডা জল, নুন দিয়ে ১৫ মিনিট মাখিয়ে রাখো৷ মাছটা ম্যারিনেশন থেকে বের করে লেবুর রস দিয়ে কর্নফ্লেকস কিংবা কর্নফ্লাওয়ার দিয়ে কোট করে ডিপ ফ্রাই করো৷”

মাছ যে বাঙালির কাছে সোনা-দানার চেয়ে কম কিছু নয় তা গোটা বিশ্ব জানে৷ তেমনটাই মাথায় রেখে সুদীপা এই রেসিপির কথা লিখেছেন সুজিতের পোস্টে৷ দুর্ভাগ্যবশত সুজিত বছর খানেক আগেই নিরামিশাষী হয়ে গিয়েছেন৷ যার জন্য এই রেসিপি কেবল দেখতেই হবে৷ করে আর খেতে পারবেন না৷ প্রসঙ্গত, মা হতে চলেছেন সুদীপা। সম্প্রতি ছিল তাঁর স্বাদের অনুষ্ঠান। যার ছবি এখনও ঘুরে ফির‍ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.