খালি পায়ে হাতে স্যান্ডেল পুজোর রাস্তায় এটা প্রায়ই দেখা যায়৷ নতুন জুতো পায়ে গলিয়েই ইয়া বড়ো ফোসকা৷ তারপর ফ্যাশন মাটি করে হাতে স্যান্ডেল নিয়ে ঘুরে বেড়ানো৷কি জ্বালাতন তাই না? একদমই তাই, খুবই অসহ্যকর ব্যপারটা৷তবে আপনি কি জানেন সামান্য বুদ্ধি করলেই এর থেকে আপনি রেহাই পেতে পারেন৷

১. নতুন জুতো পায়ে গলানোর আগে পায়ে সরষের তেল বা নারকেল তেল মেখে নিন৷

২. নতুন জুতোয় যে যে যায়গায় ফোসকা পড়তে পাড়ে জুতোর সেই যায়গা গুলোতে জুতোর কালি লাগিয়ে রাখুন৷

৩. ব্যাগে একটা বান্ডেড মাস্ট৷

নতুন জুতো পরে কিছুক্ষণ হাঁটলেই পায়ে ফোসকা পরতেই পারে৷ তবে সেই ফোসকা গলানো একদমই উচিত নয়৷ ফোসকার ভেতরের জল আপনাআপনিই শুকিয়ে যায়৷ কোনো কারণে গলে গেলে জীবাণুনাশক সাবান দিয়ে ধুয়ে ক্ষতস্থান ঢেকে রাখতে হবে। চামড়া উঠানো উচিত না। ফোসকার চারপাশে টিংচার আয়োডিন মেখে নেওয়া যেতে পারে। এমন একটি প্লাস্টার করা যেতে পারে, যার মাঝখানে ফোসকার সাইজের সমান ফুটো করা। সেটির ওপরে একটি পরিষ্কার প্যাড রেখে প্লাস্টারটি সেঁটে দেওয়া যায়। যদি ফোসকায় পুঁজ হয় বা ফুলে লাল হয়ে যায়, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।