স্টাফ রিপোর্টার, কাঁথি: উৎসবিহীন আঠা আতঙ্ক! উপর থেকে ঝরে পড়ছে ফোঁটা ফোঁটা জলরঙা চটচটে আঠা। খোলা আকাশের নিচে, কংক্রিট ছাদের বাড়ি, টালির ছাউনি বাড়িতেও পড়ছে আঠা। গায়ে পড়লে জ্বালা করছে। আর মাথায় পড়লে চুলের দফারফা হয়ে যাচ্ছে।

আঠায় জড়িয়ে চুল প্লাস্টিকের মতো হয়ে যাচ্ছে। বাদ দিতে হচ্ছে কেটে। বেশি বিপাকে পড়েছেন মহিলারা। কাপড়ে মাথা ঢেকেই ঘরে-বাইরে চলতে হচ্ছে তাঁদের। সপ্তাহখানেক ধরে পূর্ব মেদিনীপুরের ভগবানপুর ২ ব্লকের মুগবেড়িয়ার হরিপুর গ্রামের মাইতি পাড়ার দুই পরিবারের ঘুম ছুটেছে এই আঠা আতঙ্কে। সকাল থেকে রাত বাড়ির রাস্তা, রান্নাঘর, শোয়ার ঘর, স্নানঘর সব জায়গায় পড়ছে ফোঁটা ফোঁটা আঠা।

প্রত্যন্ত গ্রামের এই ঘটনাকে ঘিরে ইতিমধ্যে এলাকায় হইচই পড়ে গিয়েছে। তবে অধরা আঠার উৎস। ঘটনাকে ঘিরে নানা মানুষের নানা মত। যাঁরা বিজ্ঞান বোঝেন বা মানেন তাঁরা চাইছেন, ঘটনার বিজ্ঞানসম্মত পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে এই আঠার উৎস আবিষ্কার করা হোক। আর যাঁরা কুসংস্কারে প্রভাবিত তাঁরা ছুটতে শুরু করেছেন ওঝা-তন্ত্র সাধকদের কাছে। বিশেষত মহিলারাই বেশি মন্ত্র-তন্ত্রের ধ্যানধারণা তৈরি করার চেষ্টা করছেন। এতেই ছড়াচ্ছে আতঙ্ক।