স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: তৃণমূলে ফেরার জল্পনার মধ্যেই বিজেপি নেতা অরবিন্দ মেননকে হাসপাতালে দেখতে গেলেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ শনিবার সন্ধ্যায় বেলভিউ নার্সিংহোমে মেননকে দেখতে যান দুজনে৷ জানা গিয়েছে, অরবিন্দ মেনন চিকনগুনিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন৷

বৃহস্পতিবার বিকাশ ভবনে গিয়ে শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়৷ প্রায় দেড়ঘণ্টার বৈঠক হয় দুজনের মধ্যে৷ তার ২৪ ঘন্টা কাটতে না কাটতেই পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির পর্যবেক্ষক অরবিন্দ মেননকে দেখতে গেলেন শোভন-বৈশাখী৷ এদিন সন্ধ্যা ৭টা ৪০ মিনিট নাগাদ তাঁরা হাসপাতালে ঢোকেন, ছিলেন প্রায় আধ ঘণ্টা।বিজেপি নেতাকে হাসপাতালে দেখতে যাওয়ার মধ্যে রাজনীতির কোনও যোগ নেই বলে দাবি শোভন-বৈশাখীর৷

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সংবাদমাধ্যমকে শোভন চট্টোপাধ্যায় বলেন, “তিনি এই শহরে এসে অসুস্থ হয়ে পড়েছেন, সেটা শুনে দেখতে এসেছি৷ আমি আমার কর্তব্যটুকু পালন করেছি৷ আপনারা এরমধ্যে অন্য কিছু খোঁজার চেষ্টা করলে আমার কিছু যায় আসে না৷” বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমি রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলাম৷ তিনি সংবাদমাধ্যমকে বলেওছেন যে, আমার কলেজের কিছু সমস্যা নিয়ে আমি তাঁর সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলাম৷ কিন্তু অরবিন্দজির সঙ্গে আমার পারিবারিক সম্পর্ক ৷ উনি অসুস্থ শুনে কিভাবে না গিয়ে থাকতে পারি?”

উল্লেখ্য, তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের সঙ্গে শুক্রবার দেখা করার পরই বিজেপিকে কটাক্ষ করেন বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিন দুপুর তিনটে নাগাদ বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষামন্ত্রীর অফিসে পৌঁছন। বৈঠক শেষে বেরিয়ে বৈশাখী বলেন, “আমার মতো সামান্য শিক্ষিকার বিজেপিতে দরকার নেই। তাই বিজেপিতে আমি থাকলাম কি না থাকলাম, তাতে বিজেপির কিছু যায় আসে না।”

উল্লেখ্য, ১৪ অগাষ্ট বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন শোভন-বৈশাখী৷ কিন্তু শুরু থেকেই বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে তাঁদের দূরত্ব তৈরি হয়৷ বৈশাখীও রাজ্যের গেরুয়া শিবিরকেও একাধিকবার তুলোধনা করেন৷ যদিও বৈশাখীর কোনও কথাকেই পাত্তা দেয়নি দিলীপ ঘোষরা৷

বিজেপি থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে এখনও তাঁরা বেরিয়ে যাননি, কিন্তু ভাইফোঁটায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ি গিয়ে আগামী দিনের ‘পদক্ষেপ’ স্পষ্ট করে দিয়েছেন শোভন চট্টোপাধ্যায় ও বৈশাখী বন্দ্যোপাধ্যায়। তারপরও কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবেও হাজির হয়েছিলেন দুজনেই।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ