করাচি: নিজের বিয়ে লুকোচুরি খেললেও সোশাল মিডিয়ায় ছেলের ছুল কাটার ভিডিও পোস্ট করতে দ্বিধা করলেন না শোয়েব আখতার৷ প্রাক্তন পাকিস্তানি ফাস্ট বোলার মঙ্গলবার ছেলে মিকাইলের হেয়ার কাটিং “বাজ কাট”-এর ভিডিও পোস্ট করেন৷ এটা তাঁর পছন্দের হেয়ার কাট বলেও নিশ্চিত করেছেন ‘রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস’৷

ছেলের হেয়ার কাটিং ভিডিও পোস্ট করে আখতার টুইটের ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘আমার ছেলে মিকাইলের নতুন হেয়ার কাট৷ দেখে মনে হচ্ছে এটি তার দারুণ পছন্দ হয়েছে।’ লকডাউনে তাঁর ভক্তদের ব্যস্ত রাখতে সোশাল মিডিয়ায় ভিডিও এবং ছবি পোস্ট করে চলেছেন প্রাক্তন পাক পেসার৷

২৫ জুন, ২০১৪ খাইবার পাখতুনখোয়া প্রদেশের হরিপুরের ২০ বছরের কিশোরী রবাব খানের সঙ্গে গাঁটছড়া বাঁধেন শোয়েব আখতার৷ তাঁর ১৮ বছরের মেয়ের সঙ্গে হরিপুরে অনেকটা চুপিসারেই নিকাহ সারেন এক সময় বিশ্ব কাঁপানো এই ফাস্ট বোলার৷ ৭ নভেম্বর, ২০১৬ তাঁদের একটি পুত্র সন্তান হয়৷ সেদিন টুইটারে বাবা হওয়ার কথা টুইটারে জানিয়েছিলেন আখতার৷ এদিন বছর চারেকের ছেলের হেয়ার কাটিংয়ের ভিডিও পোস্ট করেন রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস৷

তবে সোশাল মিডিয়ায় ছবি ও ভিডিও পোস্ট করা ছাড়াও ইউটিউব চ্যানেলে তাঁর ক্রিকেটীয় অভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করেন আখতার৷ গত মাসে জিও ক্রিকেটের ইউটিউব চ্যাটে টি-২০ বিশ্বকাপ পিছিয়ে সেই সময়ে আইপিএল হওয়া নিয়ে ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া এবং বিসিসিআই-এর তীব্র সমালোচনা করেছিলেন আখতার৷

আইপিএল আয়োজনের জন্যই চলতি বছর এশিয়া কাপ ও টি-২০ বিশ্বকাপ স্থগিত করে দেওয়া হয়েছে বলেও দাবি করেন শোয়েব৷ তিনি বলেছিলেন, ‘টি-২০ বিশ্বকাপটিও হতে পারত তবে, আমি আগেই বলেছিলাম যে তারা (বিসিসিআই) তা হতে দেবে না।’ তিনি আরও যোগ করে বলেছিলেন, ‘আইপিএল ক্ষতিগ্রস্থ হওয়া উচিত নয়, বিশ্বকাপকে নরকে যেতে দাও।’

প্রাক্তন এই পেসারের ১৯৯৭ সালে রাওয়ালপিন্ডিতে টেস্ট ম্যাচে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে অভিষেক ঘটে। টেস্ট কেরিয়ারে শোয়েব আখতার ৪৬টি টেস্ট ম্যাচে ১৭৮টি উইকেট নিয়েছেন৷ ইকোনমিক রেট ৩.৩৭৷

ওয়ান ডে আন্তর্জাতিক ম্যাচে শোয়েবের অভিষেক হয় ১৯৯৮ সালে হারারে জিম্বাবোয়ের বিরুদ্ধে৷ ১৬৪টি ওয়ান ডে ম্যাচে ২৪৭টি উইকেট রয়েছে তাঁর ঝুলিতে৷ ইকোনমিক রেট ৪.৭৬৷ ইনিংসে ৪বার পাঁচ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন আখতার৷ আর ১৫টি আন্তর্জাতিক টি-২০ খেলেছেন প্রাক্তন পাকিস্তানি এই পেসার৷ তাঁর উইকেট সংখ্যা ১৯৷ ইকোনমিক রেট ৮.১৫৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।