স্টাফ রিপোর্টার, জলপাইগুড়ি: শিব চতুর্দশী উপলক্ষ্যে মঙ্গলবার থেকে উত্তরবঙ্গের শৈবতীর্থ জল্পেশে শুরু হল মেলা। উত্তরবঙ্গের অন্যতম বড় মেলা হিসেবে পরিচিত এই জল্পেশ মেলা। লক্ষ লক্ষ পুণ্যার্থী এদিন শিবরাত্রি উপলক্ষ্যে হাজির হন জল্পেশ মন্দিরে। সরকারি নিয়ম অনুযায়ী মেলা চলবে আগামী ২৬ তারিখ পর্যন্ত। মন্দির কমিটির তরফে জানানো হয়েছে সরকারি মেলা ২৬ তারিখ শেষ হয়ে গেলেও দোল পূর্নিমা পর্যন্ত চলবে মন্দির প্রাঙ্গনের মেলা। এদিন বিকেলে মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা। মেলা প্রাঙ্গনে প্রতিদিন থাকছে স্থানীয় লোকশিল্পীদের দ্বারা অনুষ্ঠিত সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

ঐতিহাসিক সূত্র থেকে জানা যায়, কোচবিহারের মহারাজা প্রাণ নারায়ণ (১৬৩২-৬৫ খ্রীঃ) জল্পেশ মন্দিরের নির্মাণ কাজ শুরু করার কিছু সময় পরেই মারা যান। এরপর তার পুত্র মোদ নারায়ন ওরফে রামনাথ নির্মাণ কাজ শেষ করে। কেন্দ্রীয় পুরাতত্ত্ব সর্বেক্ষণ দফতরের প্রাক্তন অধিকর্তা এমএসভাটস লিখেছেন জল্পেশ মন্দিরের ত্রিনেত্র ও বাসুদেব মূর্তি দ্বাদশ শতাব্দীর আগেকার নির্মিত। রাজা যগোদীন্দ্র দেব রায়কতের গ্রন্থ থেকে পাওয়া যায় ১৮৯৭ সালে শিবরাত্রির আগেই প্রবল ভূমিকম্পে মূল জল্পেশ মন্দির দারুনভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। এরপর ১৯৩৯ সাল পর্যন্ত ক্ষতিগ্রস্থ জল্পেশ মন্দির সংস্কারে দেড় লক্ষাধিক টাকা খরচ হয়েছিল ধাপে ধাপে।

কালিকা পূরাণে জল্পেশ মন্দিরে অনাদি শিবলিঙ্গের বর্ণনা রয়েছে। জল্পেশ লিঙ্গ গৌরী পাটের দু’ফুট নীচে অবস্থিত। সম্প্রতি গৌরীপাট জায়গাটিকে স্টীল ফ্রেমের ব্যারিকেড দিয়ে ঘিরে ফেলা হয়েছে। গর্ভগৃহের জায়গা মন্দিরের বাইরের দরজা থেকে দশফুট নীচে অবস্থিত এই লিঙ্গ আট ফুট নীচ প্রায় তিন গুণ বড় হয়ে গিয়েছে এই অনাদি লিঙ্গ বলে জল্পেশ ট্রাস্টি বোর্ডের দাবি।
মন্দির কমিটির সম্পাদক গীরেন্দ্রনাথ দেব জানান, শিব চতুর্দশী উপলক্ষ্যে লক্ষাধিক ভক্তের সমাগম হয়। পুন্যার্থীদের সুবিধার জন্য জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। এছাড়াও মন্দিরের চারিপাশে নিরাপত্তার জন্য মন্দিরের পক্ষ থেকে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। সরকারি মেলা ২৬ তারিখ পর্যন্ত চললেও মন্দির প্রাঙ্গনের মেলা চলবে দোল পূর্নিমা পর্যন্ত বলে জানান গীরেন্দ্র বাবু।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।