প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : ‘টি.এম. সি’ পার্টির অর্থ ‘তোড়ো-মাড়ো-কাটো’। সস্ত্রীক দক্ষিনেশ্বরে এসে রাজ্যের শাসক দল প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনই মন্তব্য করেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান।

তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে হিংসা আর দাঙ্গার রাজনীতি চলছে। ভারতীয় জনতা পার্টির কার্যকর্তারা মার খাচ্ছেন। এখানে হিংসার রাজনৈতিক খেলা খেলছে তৃণমূল কংগ্রেস । এখনও পর্যন্ত আমাদের ১৩০ জন বিজেপি কর্মীকে খুন করা হয়েছে। এদের বলিদান ব্যর্থ হবে না। টি এম সি শব্দের অর্থ এখন “তোড়ো, মাড়ো, কাটো।” এই পবিত্র মাটিতে রামকৃষ্ণ পরমহংস দেব জন্মেছিলেন। স্বামী বিবেকানন্দ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এর পীঠস্থান এই বঙ্গভূমি।আর এখানেই ‘জয় শ্রীরাম’ বললে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ক্ষিপ্ত হয়ে যান। পশ্চিমবঙ্গকে ধংস করে দিয়েছেন তিনি।”

রবিবার দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে এসে সস্ত্রীক পুজো দেন মধ্য প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহান। এদিন পুজো দেওয়ার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি আরও বলেন, “বিখ্যাত দক্ষিণেশ্বর মন্দিরে এসে মা কে দর্শন করে আমি গর্বিত। কাট মনির যে খেলা পশ্চিমবঙ্গে চলছে, তা অত্যন্ত নিন্দার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সব সময় বলেন কেন্দ্র পয়সা দেয় না। এই নীতি মানুষ সমর্থন করবে না। সরস্বতী পুজোর বিরোধীতা করা হয় বাংলায়। রাম নাম করলে তাকে ধরো, বাকি দুষ্কৃতীদের খোলা ছেড়ে দেওয়া হয়েছে । যতই তৃণমূল মারপিট করুক, এই বিধানসভায় পরিবর্তন হবেই।”

এছাড়াও তিনি মা কালীর নামে ধ্বনী দিয়ে বলেন, “জয় মা কালী, কলকাতাওয়ালি, তেরা বচন না জায়ে খালি।”এদিকে বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলেছে বিজেপি। প্রায় রোজই দলের রথী মহারথীদের ময়দানে নামাচ্ছেন তারা। প্রায় প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপির কোনও না কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব।

নাড্ডা, অমিত শাহ থেকে শুরু করে বাদ যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা বৃহস্পতিবারই রাজ্যে এসে সূচনা করে গিয়েছেন সোনার বাংলা কর্মসূচী। তারপরই রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ বালুরঘাটে পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় এসে বালুরঘাটের দিশারী ময়দানের জনসভায় রাজনাথ বলেন, বাংলায় উন্নতির খেলা হবে, শান্তির খেলা হবে।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গকে নিজেদের আয়ত্বে আনতে কোনওভাবে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। তাই ভোটপ্রচারে রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে তিনটি চপার। সেগুলি রাজ্যে ভোটের প্রচারে জন্য ব্যবহার করা হবে। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে পৌঁছে যাবে ওই চপার তিনটি। দিল্লি থেকে সেগুলি রাজ্যে আসবে। তার মধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে একটি চপার। বাকি দুটি চপার প্রয়োজন মতো ব্যবহার করবেন রাজ্যের নেতা-নেত্রীরা।

এবারের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে নবান্ন দখল করতে সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নেমেছে পদ্ম শিবির। পরিবর্তন যাত্রাকে সামনে রেখে প্রচারের ঝড় তুলতে চাইছে বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।