স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বাম-কংগ্রেসের ব্রিগেডের দিনই বাংলায় এসে মা কালীকে দর্শন করলেন মধ্যপ্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী শিবরাজ চিং চৌহান৷ প্রথমে তিনি কালীঘাট মন্দিরে যান৷ সেখান থেকে যান দক্ষিণেশ্বরের মন্দিরে৷ দু-জায়গাতেই পুজো দেন তিনি৷ সেখান তাঁর হাওড়ায় যাওয়ার কথা রয়েছে৷ সেখানে দলের পরিবর্তন যাত্রায় তাঁর অংশ নেওয়ার কথা৷

বিধানসভা নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগে থেকেই রাজ্যজুড়ে প্রচারে ঝড় তুলেছে বিজেপি। প্রায় রোজই দলের রথী মহারথীদের ময়দানে নামাচ্ছে তারা। প্রায় প্রতি সপ্তাহে রাজ্যে আসছেন কেন্দ্রীয় বিজেপির কোনও না কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব। নাড্ডা, অমিত শাহ থেকে শুরু করে বাদ যাচ্ছেন না প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। সর্বভারতীয় সভাপতি জগৎ প্রকাশ নাড্ডা বৃহস্পতিবারই রাজ্যে এসে সূচনা করে গিয়েছেন সোনার বাংলা কর্মসূচী। তারপরই রাজ্যে এসেছিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী স্মৃতি ইরানি ও প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং৷ বালুরঘাটে পরিবর্তন যাত্রা কর্মসূচিতে অংশ নিয়েছিলেন প্রতিরক্ষামন্ত্রী৷ পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় এসে বালুরঘাটের দিশারী ময়দানের জনসভায় রাজনাথ বলেন, বাংলায় উন্নতির খেলা হবে, শান্তির খেলা হবে।

একটা বিষয় লক্ষ্য করা গিয়েছে, বিজেপির দিল্লির নেতা-নেত্রীরা বাংলায় এসে বাঙালি আবেগ ছোঁয়ার চেষ্টা করছেন। সেদিন বালুরঘাটে রাজনাথ বাংলায় কথা বলার পরই মঞ্চে উপস্থিত অন্য় বাঙালি নেতানেত্রীদের প্রতি তাঁর প্রশ্ন ছিল, ‘আমার উচ্চারণ ঠিক আছে তো?’ এমনকি রাজ্যের মনীষীদের নাম উল্লেখ করে বালুরঘাটের তেভাগা আন্দোলনের কথা স্মরণ করিয়েছেন রাজনাথ সিং। খবর মিলেছে, রাজ্যে আসতে চলেছেন উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী আদিত্যনাথ। আগামী মঙ্গলবার মালদায় বিজেপির পরিবর্তন যাত্রায় অংশগ্রহণ করবেন তিনি।

এদিকে, পশ্চিমবঙ্গকে নিজেদের আয়ত্বে আনতে কোনওভাবে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে নারাজ বিজেপি। তাই ভোটপ্রচারে রাজ্যে পাঠানো হচ্ছে তিনটি চপার। সেগুলি রাজ্যে ভোটের প্রচারে জন্য ব্যবহার করা হবে। বিজেপি সূত্রে জানা গিয়েছে, কিছুদিনের মধ্যেই রাজ্যে পৌঁছে যাবে ওই চপার তিনটি। দিল্লি থেকে সেগুলি রাজ্যে আসবে। তার মধ্যে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের জন্য বরাদ্দ করা হয়েছে একটি চপার। বাকি দুটি চপার প্রয়োজন মতো ব্যবহার করবেন রাজ্যের নেতা-নেত্রীরা।

এবারের হাইভোল্টেজ বিধানসভা নির্বাচনে নবান্ন দখল করতে সর্বশক্তি দিয়ে ময়দানে নেমেছে পদ্ম শিবির। পরিবর্তন যাত্রাকে সামনে রেখে প্রচারের ঝড় তুলতে চাইছে বিজেপি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।