দিল্লি: হিন্দু দেব-দেবীরা যে শুধু ভারতেই রয়েছেন তা নয়, সারা বিশ্ব জুড়ে তাদের মহিমা প্রচারিত। এর মধ্যে সর্বাধিক জনপ্রিয় দেবাদিদেব মহাদেব। তার নানা রহস্যময় কীর্তি যেমন রয়েছে তেমন রয়েছে নানা মন্দির যার আপাদমস্তক জুড়ে রয়েছে ইতিহাস ও রহস্য। তার মধ্যে কোনো কোনো রহস্যের মীমাংসা করা আজও সম্ভব হয়নি। গুজরাতে রয়েছে এমন এক মন্দির। সেই মন্দিরের এমন মহিমা যে ভগবান শিব স্বয়ং বেরিয়ে আসেন ভক্তদের দর্শন দিতে। এই অদ্ভুত লীলার পেছনে খুঁজে পাওয়া যায়নি কোনো কারণ।

গুজরাতের ভব নগরে আরব সাগরের নীচে ডুবে থাকে এই মন্দির। এর নাম নিষ্কলঙ্কেশ্বর। তবে এর দেখা পেতে আপনাকে হাঁটতে হবে সমুদ্রতট ধরে প্রায় ১.৫ কিলোমিটার। তাও রয়েছে একটি নির্দিষ্ট সময়। এই সময় ছাড়া আপনি দেখা পাবেন না শিবের। এই বিশেষ সময়টি হলো ঠিক দুপুর ১টা। বাকি সময় ধরে জলের নিচে থাকে এই শিবলিঙ্গ। তখন অদ্ভুতভাবে দেখা যায় শুধুই মন্দিরের চূড়ার পতাকা। মন্দিরটি ২০ ফুট উঁচু। দুপুর ১টা থেকে রাত ১০টা আপনি দর্শন করতে পারবেন মহাদেবের। সেইসময়ে সমুদ্রের জল সরে যায়। জেগে ওঠেন ভোলানাথ। তাই লিঙ্গ ছুঁয়ে আশীর্বাদও নিতে পারবেন। সেই সময়ে আপনি যদি শিবকে ছুঁয়ে কামনা করেন কিছু, তা নাকি পূর্ণ হয়। কিন্তু এরপর আর সেখানে যাওয়া যায় না। তখন শুধুই শুনতে পাবেন সমুদ্রের বিশাল গর্জন। হয়তো এভাবেই সমুদ্র আগলে রাখে মন্দিরকে।

আরো পোস্ট- যাকে ভালোবাসেন তাকে বিয়েতে বাধা…রইলো মানানোর টিপস

এই মন্দিরের পেছনে রয়েছে একটি বিশাল ইতিহাস। পাণ্ডবরা নাকি এই তৈরি করেছিলেন। তারা তাদের পাপ ধুয়ে ফেলতে ভগবানের শরণাপন্ন হন। আরব সাগরের নীচে তারা তৈরি করেছিলেন মোট ৫টি শিবলিঙ্গ। নিজেদের কলঙ্কমুক্ত করেছিলেন তারা। সেই থেকেই মন্দিরের এমন নাম দেওয়া হয়েছিল। তারপর থেকেই এখানে এই নির্দিষ্ট সময়ে জমে পুণ্যার্থীদের ভিড়। তবে এমন জায়গায় গেলে আপনার মন কোনো যুক্তি মানবে না। সেখানে শুধুই ঈশ্বর সাধনা করতে ইচ্ছে করবে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।