আমাদের এই দেশে এমন হাজারটা মন্দির আছে যা অপার রহস্য ও মহিমায় ভরা। তার মধ্যে থেকেই বেশ কিছু মন্দিরগুলি ইতিহাসের পাতা থেকে খুব বেশি প্রকাশ্যে উঠে আসেনি জনমানসে।

এই মন্দিরগুলিতে হিন্দু দেবদেবীর নানা অজানা ঘটনার কথা লুকিয়ে রয়েছে বলে মনে করা হয়। তেমন এক মন্দির রয়েছে ভারতের মধ্যেই উত্তরাখণ্ডের রুদ্রপ্রয়াগ জেলায়।

মন্দিরটির নাম ত্রিযুগী নারায়ণ মন্দির। যারা ঘুরতে যেতে ভালোবাসেন তাদের জন্যে এই জায়গাটি বেশ অন্যরকম।

পাহাড়ের কোলে বরফে ঢাকা এই মন্দিরটি রয়েছে। লোকমুখে প্রচারিত যে এই মন্দিরেই নাকি শিব আর পার্বতী এক বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন।

আরো পোস্ট- সন্তানের বুদ্ধির চিন্তা…মিউজিক স্কুলই আদর্শ

তবে এখানকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ছাড়াও এই পবিত্র কারণেই এই মন্দিরের টানে সেখানে ছুটে যাচ্ছেন দম্পতিরা। যারা নতুন বিয়ে করেন তারা নিজেদের সম্পর্ক আগামীদিনে আরো মজবুত করতে সেই মন্দিরে যান পুজো দিতে।

আবার যারা বহুদিন ধরে সংসার চালাচ্ছেন তারাও সংসারের মঙ্গলের জন্যে যান শিব-পার্বতীর কাছে পুজো দিতে। গোটা বিশ্বে যে প্রখ্যাত চারধাম রয়েছে তাদেরকে এখন রীতিমতো টেক্কা দিচ্ছে এই মন্দির।

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৯৮০ মিটার উঁচুতে এই মন্দির দর্শনার্থীদের অবাক করেছে। তবে এখানেই মন্দিরের মহিমার শেষ নয়।

মন্দিরে ঢোকার মুখে পাবেন একটি অনন্ত প্রজ্বলিত দীপ। মনে করা হয় এই দ্বীপকে সাক্ষী মেনেই সাত জন্মের বন্ধনে আবদ্ধ হন শিব-পার্বতী।

এই মন্দিরে রয়েছে ভগবান বিষ্ণুর রুপোর একটি মূর্তি। সঙ্গে দেখতে পাবেন লক্ষ্মী, সীতা, রাম ও কুবেরের মূর্তিও।

মন্দিরে ঢোকার মুখেই রয়েছে বহ্মশিলা। ঠিক এই স্থানেই তাদের বিয়ে হয় বলে সাধারণ মানুষ বিশ্বাস করেন।

মন্দির প্রাঙ্গণে চারটি পুকুরও দেখতে পাবেন আপনি। গুট্টুর-কেদারনাথের পথে ৫ কিলোমিটার ট্রেক করতে পারলে আপনি এই মন্দিরে শিব-পার্বতীর দর্শন পাবেন।

উত্তরাখণ্ডের পর্যটন শিল্পে বেশ বেগ এনেছে এই ত্রিযুগী নারায়ণ মন্দির। তাই তো মহামারী থাকলেও ভগবানের ভরসাতেই তার ভক্তেরা তার চরণে ঠাঁই নিচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.