মেদিনীপুরের মাটিতে শিবসেনার পতাকা ঘিরে নয়া জল্পনা

স্টাফ রিপোর্টার , মহিষাদল : শুক্রবারই মন্ত্রিত্ব ছেড়েছেন নন্দীগ্রামের বিধায়ক শুভেন্দু অধিকারী। এর ঠিক ২৪ ঘন্টার মধ্যেই পূর্ব মেদিনীপুরের মহিষাদলে দেখা যায় শিবসেনার পতাকা। যা নিয়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। যদিও কে বা কারা এই পতাকা লাগিয়েছে তা এখনও জানা যায়নি।

এদিকে, মন্ত্রিত্ব থেকে ইস্তফা দেওয়ার পর শুভেন্দু অধিকারীর বিজেপি যোগের জল্পনা আরও তীব্র হয়েছে। গেরুয়া শিবিরেরও দাবি, তাঁদের দলেই আসছেন শুভেন্দু। শুধু সময়ের অপেক্ষা। বিজেপি সূত্রে এও জানা যাচ্ছে যে, দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডার কলকাতা সফরেই কি শুভেন্দুর দলবদল একপ্রকার নিশ্চিত।

যদিও আজ রবিবার মহিষাদলের সভা থেকে দলবদল নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি শুভেন্দু অধিকারী। যদিও শুভেন্দু অধিকারীর দল বদলের জল্পনা এবং মহিষাদলে শিবসেনার পতাকা লাগানোর বিষয়টি রাজনৈতিক চক্রান্ত বলে দাবি করেছেন জেলা তৃণমূলের ব্লক সভাপতি তিলক কুমার চক্রবর্তী।

তিনি বলেন, “নির্বাচন আসলেই এই রকম অনেক দলের পতাকায় দেখা যায়। সবারই অধিকার আছে নিজেদের রাজনৈতিক কর্মসূচির প্রচার চালানোর। এর থেকে বেশি কিছু বলতে পারব না। তবে ২০২১ সালেও ক্ষমতায় আসতে চলেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূলের সরকার। এটা একদম নিশ্চিত। “এই বিষয়ে বলতে গিয়ে জেলা বিজেপির সহ সভাপতি তপন বন্দোপাধ্যায় জানিয়েছেন, শুভেন্দু অধিকারী মন্ত্রিত্ব পদ ছাড়লেও তাঁর বিধায়ক পদ এখনও ছাড়েননি। ফলে তিনি কোন দলে যোগ দেবেন, তাঁর রাজনৈতিক মেরুকরণ কী হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুতরাং এই বিষয়ে তিনি এখনি কোনও মন্তব্য করতে চাননি। এছাড়াও শুভেন্দু অধিকারী আগামী দিনে বিজোপিতে যোগ দেবেন কিনা সেই বিষয়ে এখনও জেলা বিজেপি সংগঠনের কাছে কোনও খবর নেই বলে তিনি জানান।

রবিবার ছিল শুভেন্দুর মন্ত্রিত্ব ছাড়ার পর প্রথম সভা। তাই সেখানে তিনি কী বলেন, সেই অপেক্ষায় ছিলেন সাধারণ মানুষ থেকে রাজনৈরিক নেতারা।

তবে তিনি যে আর পাঁচজন আম নেতাদের থেকে আলাদা, সেটাই এদিন বুঝিয়ে দিলেন অধিকারী সাম্রাজ্যের যুবরাজ। গরম গরম বক্তৃতা শোনার জন্য যখন সবাই মুখিয়ে আছে, সেই সভায় পোড় খাওয়া জননেতা স্পিকটি নট।

রাজনীতির ছায়াই মাড়ালেন না তাঁর বক্তব্যে।

এদিন ছিল সদ্য প্রয়াত স্বাধীনতা সংগ্রামী তণজিৎ বয়ালের স্মরণসভা। আর সেখানেই উপস্থিত হন শুভেন্দু। অরাজনৈতিক মঞ্চে রাজনীতির কোনও কথাই তুললেন তিনি। এমনকি সভার রঙ ছিল নীল-সাদায় মোড়া।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।