মুম্বই : অযোধ্যা সফরে যাচ্ছেন শিবসেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে৷ সঙ্গে থাকবেন তাঁর দলের জয়ী সাংসদরা৷ ১৬ই জুন সাংসদদের নিয়ে অযোধ্যা যাবেন উদ্ভব ঠাকরে৷ রাম লাল্লাকে অযোধ্যায় প্রণাম করতে যাচ্ছেন তিনি৷ শিব সেনা সূত্রে খবর৷ শিব সেনার পক্ষ থেকে এক ট্যুইট করে একথা জানানো হয়৷

দিন কয়েক আগেই শিবসেনার মিডিয়া সেল এই সফরের ইঙ্গিত দিয়েছিল৷ জানানো হয়েছিল অযোধ্যায় জুন মাসে যেতে পারেন উদ্ভব ঠাকরে৷ তবে তিনি কবে যাবেন, সেকথা জানানো হয়নি৷ ২০১৮ সালের নভেম্বরেই অযোধ্যা গিয়েছিলেন ঠাকরে৷ সেখানে রাম মন্দির গঠনের জন্য কেন্দ্র সরকার যাতে একটি নির্দিষ্ট তারিখ ঘোষণা করে, তার আরজি জানান তিনি৷

কেন্দ্র সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করে শিবসেনার দাবি ছিল এটাই রাম মন্দির গঠনের উপযুক্ত সময়৷ কেন্দ্র সরকার জানান, কবে তাঁরা মন্দির নির্মাণ করা শুরু করবেন৷ শিবসেনা জানিয়েছিল দ্বিতীয় মোদী সরকারের জমানাতেই নির্মাণ করতে হবে রাম মন্দির। এই নিয়ে আর কোনও দ্বিমতে যেতে চাইছে না হিন্দুত্ববাদি সংগঠনগুলি। এবারেও অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণ না হলে পরিস্থিতি যে ভয়ঙ্কর আকার নেবে তা স্পষ্ট করে দিয়ে ছিলেন শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত।

তিনি বলে ছিলেন, “এবার যদি রাম মন্দির নির্মাণ না হয় তাহলে সাধারণ মানুষের আমাদের উপর থেকে বিশ্বাস উঠে যাবে। রাগের চোটে মানুষ আমাদের জুতো পেটা করতে আসবে।”

খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অযোধ্যায় রাম মন্দির নির্মাণের কাজ শুরু হবে বলে বিশেষ আশাপ্রকাশ করেছিলেন শিবসেনা মুখপাত্র সঞ্জয় রাউত। যার অন্যতম প্রধান কারণ ছিল কেন্দ্রে ফের এনডিএ সরকারের প্রতিষ্ঠা পাওয়া। হিন্দুত্ববাদী দল বিজেপি একার ক্ষমতার পেরিয়ে গিয়েছে ৩০০টির বেশি আসন। যা সরকার পরিচালনার ক্ষেত্রে খুবই সহায়ক।

অযোধ্যার রাম মন্দির নির্মাণের বিষয়টি বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পরে এই এই সমস্যা সমাধানের জন্য তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে সর্বোচ্চ আদালত। আগামী ১৫ অগস্ট সেই কমিটির রিপোর্ট জমা দেওয়ার কথা রয়েছে।

এদিকে, লোকসভা ভোট মিটতেই বিধানসভা নির্বাচন কড়া নাড়তে শুরু করেছে মহারাষ্ট্রে। যার জেরে মধুচন্দ্রিমা কাটিয়ে ফের শীতল সম্পর্কের দিকে যেতে চলেছে ওই রাজ্যের দুই হিন্দুত্ববাদী রাজনৈতিক দল বিজেপি এবং শিবসেনা। এমনই খবর প্রকাশ করেছে সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস নাও। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে যে মহারাষ্ট্রের মোট বিধানসভা আসনের ৫০ শতাংশ দাবি করেছে শিবসেনা। আর সেই দাবি মানতে নারাজ বিজেপি।