ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: দলের বিরুদ্ধে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ করলেন পূর্ব মেদিনীপুরের প্রাক্তন জেলা তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি শিশির অধিকারী৷ বিধানসভা ভোটের ঠিক মাসখানেক আগে শিশিরের এই অভিযোগে রীতিমতো শোরগোল পড়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহলের একাংশের মতে, শিশিরের তৃণমূল-ত্যাগ স্রেফ সময়ের অপেক্ষা।

বুধবার শিশির অধিকারী বলেন, ‘আমাদের দল নিকৃষ্ট মানের লোকজনকে এখানে পাঠিয়ে আক্রমণ করেছেন। যাঁরা নিজেদের উপরতলার (নেতা) হিসেবে মনে করেন, তাঁরাও আক্রমণ করেছেন। সেই আক্রমণ তো আমায় প্রতিহত করতে হবে।’  তাঁর কথায়, ‘আপাতত ঘরেই আছি। ছেলেরা বলেছে ঘরে থাকতে। কিন্তু ছেলেকে আক্রমণ করলে ছেড়ে কথা বলব না!’ উল্লেখ্য, গত মাসে কাঁথিতে গিয়ে শুভেন্দুকে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন যুব তৃণমূল সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়রা শিশিরের দাবি, সেটা শুধু রাজনৈতিক আক্রমণ ছিল না৷

শিশির অধিকারীর অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন তৃণমূলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়৷ তাঁর বক্তব্য, শিশিরবাবুর কথাতেই স্পষ্ট তিনি আর বেশিদিন তৃণমূলে নেই৷

উল্লেখ্য, তৃণমূলের অন্যতম বরিষ্ঠ সাংসদ শিশির অধিকারী ১৯৯৮ সালে তৃণমূলের জন্মলগ্ন থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবেই পরিচিতি। তাঁর মেজো ছেলে শুভেন্দু তৃণমূল ছাড়ার আগে পর্যন্ত নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের আসনের প্রতিনিধি ছিলেন। ১৯ ডিসেম্বর ৬ জন বিধায়ক ও বর্ধমান পূর্বের সাংসদ সুনীল মণ্ডল–সহ শাসকদলের ডজনখানেক নেতাকে নিয়ে বিজেপি–তে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর হাত থেকে তুলে নেন বিজেপি–র পতাকা।

এর কয়েকদিন পর শুভেন্দুর ভাই সৌমেন্দু অধিকারীকে কাঁথি পুরসভার প্রশাসক পদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। তিনি এর বিরুদ্ধে কলকাতা হাইকোর্টে মামলাও করেন। এদিকে, শুভেন্দুর দাদা তথা শিশির অধিকারীর বড় ছেলে দিব্যেন্দু অধিকারী তমলুকের সাংসদ।

ডিসেম্বরের শেষের দিকে বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছিলেন যে তাঁর ঘরেতেও পদ্ম ফুটবে। আর ঠিক তার পরের দিনই বিজেপি–তে যোগ দেন তাঁর ভাই সৌমেন্দু। এবার কি শিশির অধিকারীও যোগ দেবেন বিজেপি শিবিরে?‌ তা নিয়ে জোর জল্পনা রাজনৈতিক মহলে৷ সেই জল্পনা বাড়িয়ে রাজ্য বিজেপির শীর্ষ নেতা মুকুল রায় আগেই বলেন, ‘‌উনি তো এসেইছেন। ওঁর ছেলে এসেছে, আবার কী!‌ শিশিরের আসা সময়ের অপেক্ষা। তারপরই পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা সভাপতির পদ থেকে শিশির অধিকারীকে সরিয়ে দেয় তৃণমূল৷ তার আগে তাঁকে দিঘা-শংকরপুর উন্নয়ন পর্ষদের সভাপতির পদ থেকেও সরানো হয়৷ চোখের ছানি অস্ত্রোপচার করানোর পর আপাতত কাঁথির ‘শান্তিকুঞ্জে’ ঘরবন্দি বর্ষীয়ান তৃণমূল সাংসদ৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।