কলকাতা: দলবদলের বাজারে দুর্দান্ত একটা চমক দিল ভবানীপুর ক্লাব। আইলিগ যোগ্যতাঅর্জন পর্বের জন্য মোহনবাগানের প্রাক্তন গোলরক্ষক তথা ময়দানের ‘বাজপাখি’ শিলটন পালকে দলে নিল তারা। শুক্রবার ভবানীপুর ক্লাবের সঙ্গে শিলটন প্র্যাকটিস করেছেন বলেও জানা গিয়েছে।

উল্লেখ্য, ১৪ বছর মোহনবাগান জার্সিতে সার্ভিস দেওয়ার পর চলতি বছর কলকাতা ছেড়ে গোয়ায় পাড়ি দিয়েছেন শিলটন। এটিকে’র সঙ্গে সংযুক্তিকরণের পর ক্লাবের দীর্ঘদিনের চরাই-উতরাইয়ের সঙ্গী শিলটনকে আর দলে রাখেনি মোহনবাগান। তাই আসন্ন মরশুমে গোয়া জায়ান্ট চার্চিল ব্রাদার্সের জার্সি গায়ে আইলিগে মাঠে নামবেন শিলটন। কিন্তু তার আগে সম্প্রতি আইলিগ দ্বিতীয় ডিভিশনের জন্য ভবানীপুর ক্লাবের প্রস্তাব চলে আসে তাঁর আসে। চার্চিল থেকে প্রাক্তন মোহনবাগান ফুটবলারকে লোনে দলে নেওয়ার প্রস্তাব দেয় ভবানীপুর ক্লাব।

আইলিগের আগে নিজেকে ফিট রাখতে এবং ম্যাচ প্র্যাকটিসের কথা মাথায় রেখে ভবানীপুর ক্লাবের প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান শিলটন। যদিও চার্চিলের সম্মতি প্রদানের প্রয়োজন ছিল তাঁর। কিন্তু এক্ষেত্রে চার্চিল ব্রাদার্স কোনওরকম আপত্তি না করায় লোনে ভবানীপুর ক্লাবে যোগ দিলেন শিলটন। দুর্গের শেষ প্রহরী হিসেবে ময়দানের পোড় খাওয়া এই গোলরক্ষকের যোগদানে ভবানীপুর যে অনেকটাই শক্তিশালী হল, সেকথা বলার অপেক্ষা রাখে না। উল্লেখ্য, মহামেডান স্পোর্টিংয়ের পাশাপাশি কলকাতার দ্বিতীয় ক্লাব হিসেবে দ্বিতীয় ডিভিশন আইলিগে প্রতিনিধিত্ব করছে ভবানীপুর ক্লাব।

আগামী ৮ অক্টোবর কলকাতায় শুরু হয়ে যাচ্ছে আইলিগ বাছাইপর্বের ম্যাচ। বুধবারই সূচি ঘোষণা করেছে ফেডারেশন। প্রথমদিন যুবভারতীতে এফসি বেঙ্গালুরু ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ম্যাচ দিয়ে অভিযান শুরু হবে ভবানীপুর ক্লাবের। একইদিনে অর্থাৎ ৮ অক্টোবর কল্যাণী স্টেডিয়ামে বিকেলের ম্যাচে মহামেডান স্পোর্টিং অভিযান শুরু করবে গাড়োয়াল এফসি’র বিরুদ্ধে। এই চারটি দল ছাড়া টুর্নামেন্টের পঞ্চম দল হিসেবে রয়েছে আরা এফসি। রাউন্ড রবিন ফর্ম্যাটেই অনুষ্ঠিত হবে এই লিগ।

সল্টলেকের যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গন এবং কল্যাণী স্টেডিয়ামকেই আইলিগ বাছাইপর্বের ম্যাচগুলোর ভেন্যু হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে। টুর্নামেন্টের চারটি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে এবং বাকি ছ’টি ম্যাচ অনুষ্ঠিত হবে কল্যাণী স্টেডিয়ামে। চারটি করে ম্যাচ খেলার পর একমাত্র লিগ টেবিলের শীর্ষস্থানীয় দল সুযোগ করে নেবে ২০২০-২১ আইলিগে সরাসরি যোগ্যতাঅর্জনের।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।