বারাণসী: বারাণসীর পুণ্যভূমিতে বেড়াতে গিয়ে আচমকাই বিতর্কে জড়িয়ে পড়লেন জাতীয় দলের ওপেনিং ব্যাটসম্যান। বিতর্কের সূত্রপাত সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যানের নৌকাবিহারের কয়েকটি ছবি। পোস্ট করা ছবিতে দেখা যাচ্ছে নৌকাবিহারের সময় ধাওয়ান গঙ্গার ঘাটের পাখিদের খাবার ছুঁড়ে দিচ্ছেন। আর এই ঘটনাই জন্ম দিয়েছে বিতর্কের। বার্ড-ফ্লু’য়ের কারণে সাম্প্রতিক সময়ে গঙ্গার ঘাটে পাখিদের শস্যদানা খাওয়ানোর রীতিতে রাশ টেনেছে স্থানীয় প্রশাসন। অর্থাৎ, নিয়মের বিরুদ্ধে গিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন ধাওয়ান।

তবে এযাত্রায় কোনওরকম শাস্তি বা জরিমানার হাত থেকে বেঁচে গিয়েছেন জাতীয় দলের ক্রিকেটার। উলটে শাস্তির মুখে পড়তে চলেছেন সংশ্লিষ্ট বোটম্যান। স্থানীয় প্রশাসনের দাবি, বিধিনিষেধ সম্পর্কে ধাওয়ান অবগত নাই থাকতে পারেন। কিন্তু বোটম্যান সব জেনেও কেন ধাওয়ানকে বিরত করলেন না।

উল্লেখ্য, বারাণসীর গঙ্গায় নৌকাবিহারে বেরিয়ে পাখিদের শস্যদানা খাওয়ানোর রীতি বহুদিনের। কিন্তু সাম্প্রতিক সময়ে বার্ড-ফ্লু উদ্বেগের জেরে সেই প্রথায় নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে স্থানীয় প্রশাসন। কিন্তু অজান্তেই নিয়মবিরুদ্ধ কাজ করে বিতর্কে জড়ালেন ধাওয়ান। গত শুক্রবার নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে বারাণসীর গঙ্গায় পরিযায়ী পাখিদের শস্যদানা খাওয়ানোর ছবি পোস্ট করেছিলেন ভারয়ীয় ক্রিকেটের ‘গব্বর’। ক্যাপশন হিসেবে তিনি লিখেছিলেন, ‘পাখিদের খাওয়ানো চরম সুখানুভূতি।’ ক্রিকেট অনুরাগীরা লাইকে ভরিয়ে দেন ধাওয়ানের সেই ছবি।

স্থানীয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে বারাণসীর জেলাশাসক দেশের প্রথম সারির এক সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ‘পর্যটকেরা স্থানীয় নিয়মকানুন সম্পর্কে সবসময় অবগত থাকতে পারেন না। বারাণসী মিউনসিপ্যাল কর্পোরেশন এবং স্থানীয় রিভার পুলিশের বাইরে গিয়েও পরিযায়ী পাখিদের খাওয়ানোর উপরে কড়া নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি বোটম্যানদের অজানা নয়। তাই ঘটনায় জড়িত সংশ্লিষ্ট বোটম্যানের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

গত ১১ জানুয়ারি সাম্প্রতিক বার্ড-ফ্লু উদ্বেগের মাঝে বারাণসীর গঙ্গায় পরিযায়ী পাখিদের খাওয়ানোর বিষয়ে ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে বারাণসীর প্রশাসন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।