নয়াদিল্লি: করোনা অতিমারীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ভ্যাকসিনই আমাদের হাতিয়ার৷ বৃহস্পতিবার করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়ে সোশাল মিডিয়ায় এই বার্তা দিলেন শিখর ধাওয়ান৷ একই সঙ্গে সকলে দ্রুত এই ভ্যাকসিন নেওয়ার আহ্বান জানান টিম ইন্ডিয়ার বাঁ-হাতি ওপেনার৷

করোনার হানায় ভেস্ত গিয়েছে ২০২১ আইপিএল৷ বায়ো-বাবলের মধ্যে থেকেও একাধিক ক্রিকেটার করোনা আক্রান্ত হওয়ার পরই আইপিএলের চতুর্দশ সংস্করণ স্থগিত করে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিসিসিআই৷ ফলে বাড়ি ফিরেছেন ভারতীয় ক্রিকেটাররা৷ বাড়ি ফিরেই প্রথমে ভ্যাকসিন নিলেন দিল্লি ক্যাপিটালস ব্যাটসম্যান ধাওয়ান৷

এদিন টুইটারে ভ্যাকসিন নেওয়ার ছবি পোস্ট করে ‘গব্বর’ লেখেন, “Vaccinated. Can’t thank all our frontline warriors enough for their sacrifices and dedication. Please do not hesitate and get yourself vaccinated as soon as possible. It’ll help us all defeat this virus.” অর্থাৎ তিনি লেখেন, ‘ আমি করোনা ভ্যাকসিন নিয়ে নিয়েছি৷ প্রথমসারির করোনা যোদ্ধাদের নিষ্ঠা ও স্বার্থত্যাগের জন্য কোনও কৃতজ্ঞতাই যথেষ্ট নয়। কোনও দ্বিধায় না-করে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভ্যাকসিন নিয়ে নিন। ভারইরাসকে হারাতে এটা আমাদের সাহায্য করবে।’

আইপিএল চলাকালীনই ক্রিকেটারদের টিকা দেওয়ার কথা বলেছিল বিসিসিআই৷ তবে ভ্যাকসিন নেওয়া বা না-নেওয়ার বিষয়টি ক্রিকেটারদের উপরই ছেড়ে দিয়েছিল বোর্ড৷ আইপিএলের মাঝে না-হলেও টুর্নামেন্ট স্থগিত হওয়ার পরই বাড়ি ফিরে করোনা টিকা নিয়ে নেন ধাওয়ান৷ ১ মে থেকে দেশের ১৮ বছরের উর্ধ্বে টিকাকরণ শুরু হয়েছে৷ তাই কলবিলম্ব না-করে বৃহস্পতিবারই করোনা ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়ে নেন ৩৫ বছরের ভারতীয় দলের এই ক্রিকেটার৷

সদ্য স্থগিত হয়ে যাওয়া আইপিএলে স্বপ্নের ফর্মে ছিলেন ধাওয়ান৷ টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই ব্যাট হাতে বিধ্বংসী ফর্মে ছিলেন দিল্লি ক্যাপিটালসের এই বাঁ-হাতি ওপেনার। টুর্নামেন্ট স্থগিত হয়ে গেলেও বেশি রান সংগ্রহ করে অরেঞ্জ ক্যাপ নিজের দখলেই রেখেছেন দিল্লির এই তারকা ওপেনার। ৮ ম্যাচে তিনটি হাফ-সেঞ্চুরিসহ ৩৮০ রান করেছেন ধাওয়ান৷ গড় ৫৪.২৮৷ বাউন্ডারি মেরেছেন ৪৩টি আর ছক্কা হাঁকিয়েছেন ৮টি৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.