কলকাতা: শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের গাছ খুঁজতে এবার অ্যাপ আনল বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া ( বিএসআই ) কর্তৃপক্ষ। শিবপুর বোটানিক্যাল গার্ডেনের সর্বাপেক্ষা উল্লেখযোগ্য দ্রষ্টব্য বস্তু হল প্রাচীন বটবৃক্ষ। যেটি প্রায় ২৫০ বছরের প্রাচীন। গাছটির পরিধি ৩৩০ মিটার। বেড়াতে এসে এই প্রসিদ্ধ বটগাছ দেখতে চান সকলেই।

কিন্তু তাঁদের গার্ডেনে এসে তা খুঁজতে সময় লেগে যায় অনেকটাই। এই বাগানে রয়েছে নানাবিধ প্রজাতির ভেষজ গাছ ও গুল্মের সমাহার। এই সংগ্রহ বর্তমানে বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়ার অধীনে সেন্ট্রাল ন্যাশানাল হার্বেরিয়াম নামে পরিচিত।

বোটানির অনেক শিক্ষার্থীও এখানে আসেন শিক্ষার কাজে। তাঁদেরও প্রয়োজনীয় গাছ খুঁজতে লেগে যায় অনেক সময়। অ্যাপ চালু হওয়ায় এবার মিটবে সেই সমস্যা। শুধু থাকতে হবে একটি স্মার্টফোন আর ইন্টারনেট সংযোগ। তাহলেই কেল্লা ফতে। মুঠো ফোনেই পেয়ে যাবেন সব।

এবারে বোটানিক্যাল গার্ডেন কর্তৃপক্ষ আনলেন বোটানিক্যাল সার্ভে অফ ইন্ডিয়া নামাঙ্কিত বিএসআই অ্যাপ। এই অ্যাপ মোবাইলে থাকলেই যে গাছের খোঁজ করবেন সেই গাছ বাগানের কোথায় রয়েছে, কত রকমের সেই গাছ রয়েছে তা জানা যাবে।

এমনকি, সেই গাছের কাছে কিভাবে পৌঁছাবেন তার বিস্তারিত রাস্তাও আপনার আপনাকে দেখাবে এই অ্যাপ। জিপিআরএস প্রযুক্তির মাধ্যমে কারও সাহায্য ছাড়াই পৌঁছে যাওয়া যাবে গন্তব্যে। করোনা আবহে যেহেতু গার্ডেন বন্ধ সেক্ষেত্রে শিক্ষাথীরা বাড়িতে বসেই বাগানের গাছের সম্বন্ধে খুঁটিনাটি জানতে পারবেন।

গার্ডেন ছাড়াও সুন্দরবন সহ দেশের সব উদ্ভিদ জগৎকে চেনা ও জানা যাবে এই অ্যাপের মাধ্যমে। এই অ্যাপ পেতে হলে গুগল প্লে স্টোরে বি এস আই টাইপ করলেই বিনামূল্যে পাওয়া যাবে। শুক্রবার বোটানিক্যাল গার্ডেনে এই অ্যাপের উদ্বোধন করেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।