নয়াদিল্লি: ৮১ বছর বয়সে চলে গেলেন দিল্লির প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিত। অসুস্থ অবস্থায় হাসপাতালে ভরতি ছিলেন তিনি। শনিবার হাসপাতালেই শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেত্রী।

অনিয়ন্ত্রিত হৃদস্পন্দন জনিত সমস্যায় শুক্রবারই তাঁকে ভরতি করা হয় দিল্লির ফর্টিস এসকর্ট হার্ট ইনস্টিউটে। ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই তাঁর জীবনাবসান। গত বছরই ফ্রান্সে তাঁর হার্ট অপারেশন হয়।

দীর্ঘদিন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন তিনি। তিনবার নির্বাচিত হয়ে ১৫ বছর এই পদ সামলেছেন শীলা দীক্ষিত। এছাড়া তিন কেরলের গভর্নরও ছিলেন তিনি।

দীর্ঘদিন রাজনৈতিক জগতে থাকা এই নেত্রীকে হারানোয় নেমেছে শোকের ছায়া। শোকস্তব্ধ রাজনৈতিক মহল। ট্যুইটার জুড়ে শোকবার্তা দিয়েছেন বহু নেতা-নেত্রী।

কংগ্রেস শোকবার্তায় লিখেছে, ‘আজীবন কংগ্রেসনেত্রী তিনি, দিল্লির তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী। দিল্লিকে কার্যত বদলে দিয়েছিলেন তিনি।’

শোকপ্রকাশ করেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। তিনি জানিয়েছেন, শীলা দীক্ষিতের অবদান মানুষ চিরকাল মনে রাখবে। তাঁর চলে যাওয়ার দিল্লির জন্য বড় ক্ষতি বলেও মনে করনে তিনি।

প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর সঙ্গে শীলা দীক্ষিতের সাক্ষাতের একটি ছবি শেয়ার করেছেনল লিখেছেন, ”শীলা দীক্ষিতের চলে যাওয়ার খবরে আমি মর্মাহত। দিল্লির উন্নয়নে তাঁর অবদান অনেক।”

বরাবরই সংগঠন হিসেবে বলিষ্ঠ ছিলেন শীলা দীক্ষিত। ২০১৯-এও নর্থ ইস্ট দিল্লি কেন্দ্র থেকে ভোটে লড়েছিলেন তিনি। বিজেপি সাংসদ মনোজ তিওয়ারির কাছে তিন লক্ষ ভোটে হেরে যান শীলা দীক্ষিত।

শীলা দীক্ষিতের সঙ্গে সুসম্পর্কের কথা স্মরণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ব্যক্তিগত সম্পর্কের কথা বলে শোকপ্রকাশ করেছেন রাহুল গান্ধীও।

তাঁর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন আহমেদ পটেল, মেহবুবা মুফতি, ওমর আব্দুল্লা।