নয়াদিল্লি: বিশ্ব রেকর্ডের মালিক ভারতীয় তারকা ভারোত্তোলক মীরাবাঈ চানু(Mirabai Chanu) প্রায় সবকিছুই পাঁচ বছর আগে রিও অলিম্পিকের(Rio Olympics) ব্যর্থতা থেকে শিখেছেন। ব্যর্থতা থেকে পাঠ নেওয়ার পর মীরাবাঈ আত্মবিশ্বাসী আসন্ন টোকিও অলিম্পিকে(Tokyo Olympics) তিনি ভালো পারফর্ম করবেন। গত মাসেই তিনি জানিয়েছিলেন ২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকের ব্যর্থতার পর তিনি সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছিলেন এবং মনোবিদের সঙ্গে কথা বলে তিনি আবার নিজের সঠিক পথে ফেরত এসেছিলেন। তিনি বলেছিলেন, শেষ অলিম্পিকের পর তিনি নিজের টেকনিকে বেশ কিছু পরিবর্তন এনেছেন এবং একজন ভারোত্তোলক হিসেবেও তিনি এখন অনেক পরিণত হয়েছেন।

সম্প্রতি স্পোর্টস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া(SAI) নিজেদের টুইটার পেজ থেকে মীরাবাঈয়ের একটি ভিডিও পোস্ট করেছে। সেখানে মীরাবাঈ বলেছেন, ‘আমি রিও অলিম্পিকে অংশগ্রহণ করে অনেক কিছু শিখেছি। বলা ভালো আমি রিও থেকেই সবকিছু শিখেছি- আমার দুর্বলতা থেকে শুরু করে কীভাবে তা শোধরাতে হয়, ট্রেনিং ও প্রতিযোগিতায় পারফর্ম করার দিক থেকে কীভাবে নিজেকে আরও উন্নত করা যাবে সবকিছু’।

২০১৬ সালে রিও অলিম্পিকে মীরাবাঈ খুবই হতাশাজনক পারফর্ম করেছিলেন। মহিলাদের ৪৮ কেজির ক্লিন অ্যান্ড জার্ক বিভাগে নিজের তিনবারের প্রচেষ্টাতেও ওয়েট ওঠাতে পারেননি। কিন্তু তারপর থেকেই এই মণিপুরী অ্যাথলিট ঘুরে দাঁড়ান, এবং ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ ও কমনওয়েলথ গেমসে সোনা জেতেন।

২৬ বছর মীরাবাঈয়ের আদর্শ হলেন প্রথম ভারতীয় তারকা ভারোত্তোলক কুঞ্জরানী দেবী (Kunjarani Devi)। এই বিষয়ে মীরাবাঈ বলেন, ‘উনি (কুঞ্জরানী দেবী) একজন সেরা প্লেয়ার এবং উনিও মণিপুরের। আমি সবসময় ভাবি আমায় ম্যাডামের মতো হতে হবে, ওঁনার মতো অনেক মেডেল জিততে হবে’। কুঞ্জরানী দেবী নিজের কেরিয়ারে সাতটি ওয়ার্ল্ড চ্যাম্পিয়নশিপ রৌপ্য পদক এবং এশিয়ান গেমসে দুটি ব্রোঞ্জ পদক জিতেছেন।

টোকিওগামী বাকি অ্যাথলিটদের কোনও বার্তা দিতে চান কিনা জিজ্ঞেস করা হলে পদ্মশ্রী মীরাবাঈ বলেন, ‘সকল অ্যাথলিট যারা অলিম্পিকের জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছেন তাঁদের আমার শুভকামনা জানাই। আমাদের সবার নিজের সেরা দেওয়ার জন্য সংগ্রাম করতে হবে, এবং দেশকে সবার ওপরে রাখতে হবে’।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.