ফাইল ছবি

লখনউ: ২০১৪ সালের পর থেকে ভারতীয় রাজনীতির জল গড়িয়েছে, ততই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরোধী হিসেবে সামনে এসেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা৷ বিজেপির সাংসদ হয়েও ‘বিহারীবাবু’ প্রকাশ্যে কেন্দ্রীয় সরকারের সমালোচনায় সরব হয়েছেন৷ এবার সেই বিরোধিতাই তিনি নিয়ে যেতে পারেন একেবারে চরম পর্যায়ে৷

তিনি সরাসরি নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ভোটের লড়াইয়ে নেমে পড়তে পারেন৷ এই লড়াই অবশ্য তিনি নির্দল হিসেবে লড়বেন না৷ বরং তাঁকে মোদীর বিরুদ্ধে প্রার্থী করতে উঠেপড়ে লেগেছে সমাজবাদী পার্টি৷ সপার এক শীর্ষনেতার দাবি, বারাণসী থেকে তিনি সাইকেল চিহ্নে মোদীর বিরুদ্ধে ভোটে লড়বেন৷

আরও পড়ুন: অন্ধকারের এক ঘণ্টা কেমন কাটল পটুয়াপাড়ার?

অখিলেশ যাদবের দলের একটি সূত্র মোতাবেক, শত্রুঘ্ন সিনহা এখন পটনা সাহিবের সাংসদ৷ সেখান থেকে উত্তরপ্রদেশের বারাণসীর দুরত্ব খুব বেশি নয়৷ ফলে বিহারের ভূমিপুত্র শত্রুঘ্ন পাশের রাজ্য থেকেই লড়ার সুযোগ পাবেন৷ তার উপর কায়স্থদের মধ্যে তাঁর প্রভাব রয়েছে৷ বারাণসীতে তাঁকে দাঁড় করালে সেটা একটা প্রভাব ফেলতে পারে৷

যদিও এখনও বিষয়টি পাকা হয়নি৷ তবে এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে আলোচনা হয়েছে বলে খবর৷ শীঘ্রই ‘বিহারীবাবু’ এ নিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে৷

আরও পড়ুন: অতীতকে বজায় রাখতে চাইছে বর্ধমানের বড়শুল ইয়ংম্যানস ক্লাব

প্রশ্ন উঠছে, শুধুই কি বিরোধিতার জন্য মোদীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে নামার ঝুঁকি নিচ্ছেন শত্রুঘ্ন সিনহা? কারণ, তাহলে নির্বাচনে পর্যদুস্ত হলে তাঁদের সমস্যায় পড়তে হবে৷

সমাজবাদী পার্টির তরফে আবার এ নিয়ে অন্য ব্যাখ্যা দেওয়া হচ্ছে৷ তাদের দাবি, বিধানসভা ভোটে বারাণসী কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন বিজেপির শ্রী চন্দ্র দীক্ষিত৷ তাঁর বিপক্ষে ছিলেন সিপিএমের রাজ কিশোর৷ প্রচারের শুরু থেকে সমর্থনের পাল্লা রাজ কিশোরের দিকেই ভারী ছিল৷

আরও পড়ুন: সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফোটাতে এগিয়ে এল আইনজীবীরা

কিন্তু শেষের দিকে প্রচারে নামেন লালকৃষ্ণ আডবাণী৷ তাঁর সঙ্গী হন শত্রুঘ্ন সিনহা৷ তার পরই হাওয়া ঘুরে যায়৷ জিতে যান বিজেপির চন্দ্র৷ আর সেটা মাথায় রেখেই শত্রুঘ্নর জন্য বারাণসী আসনটি বাছা হয়েছে সপা সূত্রে খবর৷

যদিও শেষপর্যন্ত কী হবে, তা নিয়ে এখনও ধোঁয়াশা রয়েছে৷ কারণ, এবারও লোকসভা ভোটে অখিলেশ যাদব আপের সঙ্গে জোট করতে পারে৷ তখন বারাণসী আসনটি হয়তো আপকেই ছাড়তে হতে পারে৷ কারণ, গতবার সেখানে আপের হয়ে ভোটে লড়তে নেমে অরবিন্দ কেজরিওয়াল দ্বিতীয় স্থানে ছিল৷

আরও পড়ুন: চতুর্থীর দিন কী আছে আপনার রাশিচক্রে?

আর এই জল্পনার মাঝে শত্রুঘ্ন সিনহা লখনউতে জয়প্রকাশ নারায়ণের জন্মদিনের অনুষ্ঠানে যোগদান করেন৷ তাঁর সঙ্গে ছিলেন যশবন্ত সিনহা৷ যে অনুষ্ঠানে যোগ দিতে তাঁরা গিয়েছিলেন, ওই অনুষ্ঠানটি সমাজবাদী পার্টির তরফেই আয়োজন করা হয়েছিল৷

আরও পড়ুন: দ্বিতীয় টেস্ট থেকে ছিটকে গেলেন শার্দুল