নয়াদিল্লি: হায়দরাবাদ ধর্ষণ ও খুনকাণ্ডে চার অভিযুক্তর এনকাউন্টারে মৃত্যুকে সমর্থন করলেন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী রায়৷ তাঁর বক্তব্য, এনকাউন্টারে মৃত্যু না হলে এই চার ধর্ষক সাত বছর ধরে জেলে আরামে কাটাত৷

গত ২৭ নভেম্বর হায়দরাবাদের সামশাবাদ এলাকায় তরুণী চিকিৎসককে গণধর্ষণ করে খুন করা হয়। শুক্রবার ভোরে অভিযুক্ত চার জন পালানোর চেষ্টা করলে এনকাউন্টারে তাঁদের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।পুলিশের দাবি, সে সময় তাঁদের অস্ত্র ছিনিয়ে পালানোর চেষ্টা করে অভিযুক্তেরা। আত্মরক্ষার্থে তাদের গুলি করে মারা হয়। ভোররাতের তেলঙ্গানা এনকাউন্টারের খবর ছড়িয়ে পড়তেই দেশ জুড়ে শুরু হয় প্রশংসার বন্যা। এ দিন পুলিশকে লক্ষ্য করে পুষ্পবৃষ্টি হয়েছে।

তবে এ ভাবে আইন হাতে তুলে নেওয়া কতটা যুক্তিযুক্ত, সে প্রশ্নই উঠতে শুরু করেছে সাবাশির স্রোতের মধ্যেও। অনেকরই প্রশ্ন, গোটা ঘটনায় কি বিচারব্যবস্থার অস্তিত্বকেই চ্যালেঞ্জ করা হচ্ছে না?

যদিও এই ধরণের প্রশ্নগুলোকে আমল দিতে রাজি নন তৃণমূল সাংসদ শতাব্দী৷ শুক্রবার সংসদ চত্বরে দাঁড়িয়ে তিনি বলেন, ‘‘খুব ভাল হয়েছে৷ অনেকে হয়তো বলবেন একজন সাংসদ হয়ে কিভাবে আমি বলছি৷ কিন্তু একজন মানুষ হিসেবে নারী হিসেবে বলব একদম ঠিক হয়েছে৷ না হলে ওরা আন্ডার ট্রায়াল থাকত, সাত বছর ধরে ফ্রায়েড রাইস, চিলি চিকেন খেত৷ যে লোকগুলো ওদের সাপোর্ট দিত তারা টাকা রোজগার করত৷ তাই এনকাউন্টার হয়ে খুব ভাল হয়েছে৷’’

ধর্ষণে অভিযুক্ত চার

এনকাউন্টারে গণধর্ষণ ও খুনে অভিযুক্তদের নিহত হওয়ার ঘটনা এ দিন সাতসকালে শোনার পর নিজের স্বস্তি চেপে রাখতে পারেননি নির্যাতিতার বাবা। তাঁর মতে, এই ঘটনার পর মেয়ের আত্মা শান্তি পেল। তিনি বলেন, ‘‘দশ দিন হল আমার মেয়ে মারা গিয়েছে। পুলিশ এবং সরকারকে কৃতজ্ঞতা জানাই। মেয়ের আত্মা এখন অবশ্যই শান্তি পেয়েছে।’’

এনকাউন্টারকে সমর্থন করেছেন হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে বিজেপি সাংসদ লকেট চট্টোপাধ্যায়৷ তিনি বলেন, ‘‘এতে মেয়েটির আত্মা শান্তি পেয়েছে। এত বড় ও জঘন্য ঘটনার পর ওরা পালানোর চেষ্টা করেছে। তাতে এনকাউন্টারে নিহত হয়েছে। আমি পুলিশকে ধন্যবাদ জানাই।’’

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ