নয়াদিল্লি : কেরলের তিরুঅনন্তপুরমের মন্দিরে পুজোয় অংশ নিয়েছিলেন৷ চলছিল তুলাভরনম নামের একটি অনুষ্ঠান৷ যেখানে আচমকাই ঘটল বিপত্তি৷ দড়ি ছিঁড়ে পড়ে গেলেন কংগ্রেস নেতা শশী থারুর৷ যথেষ্ট আহত হয়েছেন তিনি৷ মাথায় চোট লেগেছে তাঁর৷ ছটা সেলাই করতে হয়৷

তুলাভরনম চলাকালীনই এই দুর্ঘটনা ঘটে৷ এই অনুষ্ঠানে একটি বিশাল বড় দাঁড়িপাল্লার একদিকে ফল ও মিষ্টি রাখা হয়৷ অন্যদিকে বসেন কোনও ব্যক্তি৷ তার ওজনের সমান ফল ও মিষ্টি দেবতাকে অর্পণ করা হয়৷ শশী থারুরও সেই আচারে যোগ দিয়েছিলেন৷ আচমকাই দাঁড়িপাল্লার শিকল ছিঁড়ে তাঁর মাথায় পড়ে৷ সঙ্গে সঙ্গে রক্তপাত শুরু হয়৷ তাঁকে তড়িঘড়ি নিয়ে যাওয়া হয় হাসপাতালে৷

মাথায় ছটা সেলাই পড়ে তাঁর৷ প্রাথমিক চিকিৎসার পর তাঁকে ছেড়ে দেওয়া হয়৷ তাঁর অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানানো হয়েছে৷ উল্লেখ্য গোটা গেশ জুড়ে পালন করা হচ্ছে নতুন বছর৷ কেরলে একে বিসু নামে পালন করা হয়৷ গোটা রাজ্য জুড়ে এই উপলক্ষ্যে পুজোর আয়োজন করা হয়েছে৷

দুর্ঘটনার ছবি তোলেন শশী থারুরেরই এক সহকারি৷ পরে সেই ছবি ছড়িয়ে পড়ে সংবাদমাধ্যমে৷ ছবিতে শশী থারুরকে একটি হলুদ পাঞ্জাবি পরিহিত অবস্থায় দেখা গিয়েছে৷ মাথায় ব্যাণ্ডেজ৷ সূত্রের খবর, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যাওয়ার সময় বেকায়দায় অতিরিক্ত চাপ পড়ে পাল্লার ওপর৷ তারপরেই শিকল ছিঁড়ে তাঁর মাথায় পড়ে৷ তাঁর পায়েও লেগেছে বলে খবর৷

নির্বাচনী প্রচার শুরু করার আগে মন্দিরে গিয়েছিলেন তিনি৷ পরে অবশ্য আজকের মত প্রচার বন্ধ রাখতে হয়৷ মন্দিরে তাঁর সঙ্গে ছিলেন পরিবারের বেশ কয়েকজন, কংগ্রেস নেতারা ও স্থানীয় বিধায়ক ভি এস শিবকুমার৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনাকালে বিনোদন দুনিয়ায় কী পরিবর্তন? জানাচ্ছেন, চলচ্চিত্র সমালোচক রত্নোত্তমা সেনগুপ্ত I