মুম্বই: রজনীগন্ধা ছবির জন্য প্রাথমিকভাবে প্রধান তিনটি চরিত্রে জন্য পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি ভেবেছিলেন শশী কাপুর, শর্মিলা ঠাকুর এবং অমিতাভ বচ্চনকে। ছবির নায়ক নায়িকা হিসেবে অমল পালেকার এবং বিদ্যা সিনহাকে পরে ঠিক করা হয়। এই ছবিটি হয়েছিল মনু ভাণ্ডারীর ‘ইয়েহি সাচ হ্যায়’ গল্পটি অবলম্বনে ৷

ডায়েরি লেখার আদলে গল্পটি লেখা হয়েছিল৷ আর গল্পের পটভূমি ছিল কানপুর এবং কলকাতা৷ কিন্তু পরিচালক সেটা পরিবর্তন করে ছবিতে দিল্লি এবং মুম্বই করে দেন৷ রজনীগন্ধা ছবিতে প্রধান তিনটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন অমল পালেকার, বিদ্যা সিনহা এবং দীনেশ ঠাকুর৷ তবে পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি এই ছবির জন্য প্রথমে শশী কাপুর শর্মিলা ঠাকুর এবং অমিতাভ বচ্চনকে ভেবেছিলেন৷

তারপরে তিনি বাংলা ছবি থেকে অভিনেতা অভিনেত্রীদের দিয়ে কাজটা করানোর কথাও ভেবেছিলেন৷ সেক্ষেত্রে তিনি অপর্ণা সেন শমিত ভঞ্জকে দিয়ে ছবিটা করার কথা ভাবেন৷ এমনকী এই ছবির নায়িকা হিসেবে ধ্রুপদী নৃত্যশিল্পী মল্লিকা সারাভাইয়ের কথা তার মনে হয়েছিল কিন্তু সেই সময় তার এমবিএ ফাইনাল পরীক্ষা থাকায় তাকে দিয়ে কাজ করনো সম্ভব হয় নি।

তখন অবশেষে পরিচালক বাসু চ্যাটার্জি বিদ্যা সিনহাকেই বেছে নেন রজনীগন্ধা ছবির নায়িকার চরিত্রে৷ এই ছবিটি আবার অমল পালেকারের প্রথম হিন্দি ছবি৷ সেইসময় তিনি অনামী থিয়েটারের অভিনেতা ৷ সেই সময় বম্বের অন্যতম প্রধান ফিল্ম সোসাইটি হল ‘ফিল্ম ফোরাম’৷

সেখানে বাসু চ্যাটার্জি মনু ভাণ্ডারীর ‘ইয়েহি সাচ হ্যায়’ গল্পটি অমল পালেকারকে পাঠ করতে দেখেন৷ তা শোনার পরেই বাসু চ্যাটার্জি অমল পালেকারকে ওই গল্প অবলম্বনে লেখা লেখা চিত্রনাট্যটি দেখান এবং তাকে ছবিতে অভিনয় করার প্রস্তাব দেন৷

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প