স্টাফ রিপোর্টার , কলকাতা : বিধান শিশু উদ‍্যানে শারোদৎসবের অন‍্যতম আকর্ষণ নবমীর আড্ডা। ঐদিন সমাজের বিভিন্ন স্তরের বিশিষ্ট ব‍্যাক্তিরা আমাদের আমন্ত্রণে বিধান শিশু উদ‍্যানে আসেন। সারাদিন গল্প আলোচনা আর খাওয়াদাওয়ায় হয়। খুব হৈহুল্লোড় আর আনন্দের সঙ্গে দিনটা কাটে। কিন্তু এবছর এই অনুষ্ঠানটি করা সম্ভব হবে না বিভিন্ন রকমের সরকারি নিয়মের জ‍ন‍্য।

বেশ কয়েক বছর ধরে বিধান শিশু উদ‍্যানে এই আড্ডা উৎসবের আয়োজন করে আসছে। এ বছরও করা হয়েছিল। তবে একেবারেই তা বাহুল্য বর্জিত। অত‍্যন্ত সংক্ষিপ্ত আকারে। যতটুকু না করলেই নয় ততটুকুই। এবছর পুজো উপলক্ষ্যে যা অর্থ সংগৃহিত হয়েছে তার বেশীর ভাগটাই উদ‍্যানের শ্রীবৃদ্ধির কাজে ব‍্যবহৃত হবে বলে জানাচ্ছেন পুজো কমিটি। পুজো কমিটির সদস্য গৌতম তালুকদার বলেন, ‘আম্ফানে আমাদের প্রভুত ক্ষতি হয়েছে। পাঁচিলের একটা বড় অংশ ভেঙ্গে গিয়েছে। ছাত্রছাত্রীদের ক্লাস বা খেলাধূলার জন‍্য যেসব শেড রয়েছে সেগুলো প্রায় ধ্বংসপ্রাপ্ত হয়েছে। উদ‍্যানের পূজা কমিটিকে ধন‍্যবাদ। তাঁরা তাদের পুজোর খরচের অনেকটা বাঁচিয়ে উদ‍্যানের উন্নয়নে দান করেছেন।’ তিনি আরও বলেন, ‘উল্লেখযোগ্য দূর্গা পুজো বা সরস্বতী পুজো উদ‍্যান কমিটির অর্থে হয় না। এই দুটো পুজোর জন‍্য আলাদা কমিটি তৈরী হয় এবং তাঁরা আলাদাভাবে চাঁদা তুলে এই পুজোর আয়োজন করে থাকেন।’

পুজো কমিটি জানাচ্ছে , ‘হাইকোর্ট যেসব নিয়ম করেয়েছে তা অত‍্যন্ত যুক্তিসজ্ঞত এবং আমাদের সকলকে তা মেনে চলা উচিত। নবমীর এই সুন্দর অনুষ্ঠান না করতে পারার জন‍্য আমাদের সকলের মন খুব খারাপ। আমাদের নিজেদের কথাবার্তায় বিগত বছরগুলোর সুন্দর স্মৃতির কথা বারবার ঘুরেফিরে আসছে। কিন্তু কিছু উপায় নেই। সামগ্রিক নিরাপত্তার খাতিরে আমাদের এই নবমীর অনুষ্ঠান এ বছরের জন‍্য বাতিল করতেই হচ্ছে। আশা করছি সব স্বাভাবিক হবে। আমরা আবার আমাদের জীবনের ছন্দে ফিরে আসবে। বিধান শিশু উদ‍্যান আবার শিশু কিশোরদের কলকাকলিতে মুখরিত হয়ে উঠবে। আসুন, আমরা সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করি।’

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.