কলকাতা্: ফৌজি কলিং সিনেমার প্রচারে সম্প্রতি কলকাতায় হাজির হয়েছিলেন শারমান জোশি এবং বিদিতা বাগ। ছবিটি আপনার নিকটবর্তী প্রেক্ষাগৃহে আসতে চলেছে ১২ই মার্চ।

সীমান্তে কর্মরত একজন সেনা যেভাবে নিজের জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ চালায় ঠিক সেরকমই তার পরিবারের সবার অলক্ষ্যে থাকে সেও কিন্তু প্রতিনিয়ত নিজের জীবন এবং মনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যায়। এ ছবি ঠিক সেরকমই একটি পরিবারের কথা বলে যে পরিবারের মূল সদস্য সীমান্তে কর্মরত দেশের সেবায় ।
প্রতিনিয়ত নিজের জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে।

প্রিয় মানুষটা প্রতিনিয়ত নিজের জীবনের সঙ্গে যুদ্ধ চালিয়ে যাচ্ছে, কখন কি হবে এই নিয়ে শঙ্কায় তার পরিবার সব সময়। এই সিনেমায় একটি সুখী পরিবারের বাড়ির সব থেকে ক্ষুদ্র সদস্যের চোখ দিয়ে দর্শক অনুভব করবে পরিবারের দুঃখে ব্যথায়। সুখী পরিবারের স্ত্রীর চরিত্রে বিদিতা বাগ । বাংলা সিনেমা যেমন শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় ও নন্দিতা রায় ছবি ইচ্ছেতে অভিনয় করেছিলেন তারপর বলিউডে নামাজ উদ্দিন সিদ্দিকীর বিপরীতে বাবুমশাই বন্দুকবাজ সিনেমাতেও তার অভিনয় ছিল প্রশংসনীয়।

চিতাবাঘের বিপরীতে এই সিনেমায় অভিনয় করছেন শারমান জোশি। সিনেমার ট্রেলারের ক্রোনোলজি অনুযায়ী দর্শক একটু ধন্দেই থাকবেন সিনেমা হলে না যাওয়া পর্যন্ত। এ সিনেমায় অন্যতম মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন, রঞ্জহা বিক্রম সিং,মুগ্ধা গডসে।

যদিও সাংবাদিক সম্মেলনে শারমান জোশি একটু চুপচাপ ছিলেন কিন্তু বিদিতা বাগ বললেন এই চরিত্রের জন্য তার প্রস্তুতির কথা। প্রশ্নের মুখে বিদিতা বাগ জানালেন, তিনি কেন্দ্রীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী ছিলেন এবং তিনি স্কুল লাইফ কাটাচ্ছেন তখনই কারগিলের যুদ্ধ চলছিল হলো তিনি নিজের চোখেই নিজের সহপাঠীদের পরিবারের একটি সেই সময়কার চিন্তা দুঃখ কপালের ভাঁজ তা প্রত্যক্ষ করেছেন।

একজন ফৌজির স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে তাকে অনেকটা সময় ফোনের সঙ্গে কাটাতে হতো। কখন ফোন আসবে নানা চিন্তা করা থাকত তার চরিত্র। ফলতো এখনো ছবির শুটিং শেষ হয়ে যাওয়ার পরেও, সারাক্ষণ ফোন নিয়ে থাকার স্বভাবটা থেকেই গেছে। এ রকমই নানা কথায় ফৌজি কলিং এর সাংবাদিক সম্মেলনে উঠে এলো বিদিতা বাগ এর বলিউডের জার্নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।