মুম্বই: তিন বছরের ব্যবধানে মাত্র দু’টি টেস্ট খেলার সুযোগ হয়েছে শার্দুল ঠাকুরের৷ তিন বছর পর অস্ট্রেলিয়া সফরে টেস্ট ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তন ঘটেছিল৷ ব্রিসবেনে ব্যাট ও বলে পারফর্ম করেও ইংল্যান্ডে বিরুদ্ধে চলতি সিরিজে মাঠে নামার সুযোগ হয়নি৷ শুধু তাই নয়, উমেশ যাদব ফিট হয়ে দলে ফেরায় সিরিজে শেষ দু’টি টেস্টের দল থেকে ছিটকে যেতে শার্দুলকে৷ তবে মুম্বইয়ের হয়ে মাঠে নেমে ধামাকাদার ব্যাটিং করে নজর কাড়লেন ২৯ বছরের এই অল-রাউন্ডার৷

সোমবার বিজয় হাজার ট্রফিতে মুম্বইয়ের মাঠে নামেন শার্দুল৷ হিমাচল প্রদেশের বিরুদ্ধে ৯২ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলে মুম্বইকে বড় রানে পৌঁছে দেন তিনি৷ ৫৭ বলের ইনিংসে হাফ-ডজন ছক্কা ও হাফ-ডজন বাউন্ডারি মারেন ডানহাতি অল-রাউন্ডার৷ মাত্র ৩৯ বলে হাফ-সেঞ্চুরি পূর্ণ করেন শার্দুল৷ এটাই তাঁর প্রথম লিস্ট-এ ম্যাচে অর্ধ-শতরান৷ তবে মাত্র ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি হাতছাড়া হয় মুম্বইয়ের এই অল-রাউন্ডারের৷ ইনিংসের দু’ ওভার বাকি থাকতে পঙ্কজ জসওয়ালের বলে আউট হন শার্দুল৷ তাঁর ধামাকাদার ব্যাটিংয়ে হিমাচলের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ৫০ ওভারে ৯ উইকেটে ৩২১ রান তোলে মুম্বই৷

মুম্বইের ৯১ রানের দুরন্ত ইনিংস খেলেন জাতীয় দলে প্রথমবার ডাক পাওয়া সূর্যকুমার যাদব৷ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে টি-২০ সিরিজে ভারতীয় দলে ডাক পেয়েছেন তিনি৷ আইপিএল টানা কয়েক মরশুম ভালো পারফর্ম করায় অবশেষে জাতীয় দলে ডাক পান মুম্বইয়ের এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান৷ শার্দুল ও সূর্যকুমার ছাড়াও দারুণ হাফ-সেঞ্চুরি করেন আদিত্য তারে৷ ৮৩ রানের ইনিংস খেলেন তিনি৷ শার্দুলের সঙ্গে তাঁর পার্টনারশিপ মুম্বইয়ে বড় রানে পৌঁছে দেন৷

তবে সূর্যকুমার ও তারের ব্যাটিংয়ে ছাপিয়ে চর্চা হয় শার্দুলের ব্যাটিংয়ের৷ অস্ট্রেলিয়া সফরে ব্রিসবেনে সুযোগ পেয়েই নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন শার্দুল৷ ব্যাট হাতে ৬৭ রানের ম্যাচ জেতানো ইনিংস খেলেছিলেন৷ এছাড়া বল হাতে দুই ইনিংসে সাত অজি ব্যাটসম্যানকে প্যাভিলিয়নের পথ দেখিয়েছিলেন তিনি৷ দু’ বছর পর টেস্ট ক্রিকেটে প্রত্যাবর্তনে নজর কেড়েছিলেন ঠাকুর৷ টি-২০ ক্রিকেটেও তাঁর হ্যান্ডি ব্যাটিং দলকে জিতিয়েছে অনেকবার৷ সিডনিতে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের শেষ টি-২০ ম্যাচে ৭ বলে ১৭ রান করেছিলেন৷ ক্যানবেরায় ওয়ান ডে সিরিজের শেষ ম্যাচে তিন উইকেট নিয়েছিলেন শার্দুল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।