স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আজ শুক্রবার বাইশে শ্রাবণ। কবিগুরুর ৭৯তম মহাপ্রয়াণ দিবস। এদিন সকাল থেকে নানা অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মহাপ্রয়াণ দিবস পালন করছে শান্তিনিকেতন।

বাঙালির প্রাণের কবি রবীন্দ্রনাথের মহাপ্রয়াণ দিবসে শান্তিনিকেতন তার নিজস্ব ঘরানায় পালন করছে কবির মৃত্যুবার্ষিকী। সূর্যের আলো ওঠার আগেই শান্তিনিকেতনের পড়ুয়া থেকে অধ্যাপক উপাচার্য সকলেই গৌরপ্রাঙ্গনে সমবেত হয়ে রবীন্দ্রসঙ্গীত গাইতে গাইতে আশ্রম পরিক্রমা করেন। যা বিশ্বভারতীর ভাষায় বলা হয় বৈতালিক। সকাল সাতটায় বিশেষ উপাসনা বৈদিক মন্ত্র পাঠ রবীন্দ্র সংগীতের মাধ্যমে।সেখানে উপাসনায় পাঠভবন ও সঙ্গীতভবনের পড়ুয়ারা রবীন্দ্রসঙ্গীত পরিবেশন করেছেন।এদিন দুপুরে প্রতিবছরের মতো এবছরেও বৃক্ষরোপন করা হয় শান্তিনিকেতনের আম্রকুঞ্জ চত্বরে।

সেইসঙ্গে উত্তরায়ণে কবির ব্যবহৃত চেয়ারে পুষ্পার্ঘ্য নিবেদন করা হয়। রবীন্দ্রনাথের মহাপ্রয়াণ দিবসে বিশেষ উপাসনায় মন্দিরের আচার্য হিসেবে আসন অলংকৃত করেন বিশ্বভারতীর সমিতির সদস্য পদ্মশ্রী ডাক্তার সুশোভন বন্দ্যোপাধ্যায়।

শান্তিনিকেতনের ইতিহাসে এই প্রথম সম্পূর্ণভাবে সংবাদমাধ্যমকে বয়কট করেছে বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষ। ভোরের বৈতালিক থেকে সকালের মন্দিরের বিশেষ উপাসনায় ঢুকতে দেওয়া হয়নি সংবাদ মাধ্যমের কোন কর্মীকে। খুব স্বাভাবিক ভাবেই বিশ্বভারতীর ভূমিকায় ক্ষুব্ধ শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক থেকে শুরু করে প্রাক্তনী অধ্যাপক ছাত্র-ছাত্রীদের একটি বড় অংশ।

এবার জোড়াসাঁকোয় ঠাকুরবাড়িতে এদিন কোনও অনুষ্ঠান হয়নি। আনলক পর্বের মধ্যে ২২ শ্রাবণ পড়লেও করোনা সংক্রমণের হার ঊর্ধ্বমুখী। এই অবস্থায় কোনও অনুষ্ঠান করার ঝুঁকি নেওয়া হয়নি। ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মকে ব্যবহার করে কবিতা-গান-আবৃত্তির মাধ্যমে অনুষ্ঠান করেছে তারা রবীন্দ্রভারতী কর্তৃপক্ষ।

প্রশ্ন অনেক: দশম পর্ব

রবীন্দ্রনাথ শুধু বিশ্বকবিই শুধু নন, ছিলেন সমাজ সংস্কারকও