ওয়াশিংটন: ইরানের সঙ্গে তীব্র কূটনৈতিক লড়াইয়ের যেরে পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চল ফের উত্তপ্ত৷ তবে ইরান সরকার জানিয়েছে এই মুহূর্তে মার্কিনীদের তরফে হামলার আশঙ্কা কম৷ এদিকে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচার পর্ব শুরু হয়েছে৷ তেহরান-ওয়াশিংটন কূটনৈতিক তরজার মাঝে আচমকা পদত্যাগ করলেন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব প্যাট্রিক শানাহান৷

নির্বাচন ও ইরানের সঙ্গে দ্বন্দ্বের মাঝে প্রতিরক্ষা সচিবের পদত্যাগ ঘিরে আলোড়িত মার্কিন মুলুক৷ প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানিয়েছেন-মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতর পেন্টাগনের প্রধান পদে পরিবর্তন আসছে৷ এই স্থানে নতুন মুখ হিসেবে আসতে চলেছেন মার্ক এসপার৷ মঙ্গলবার সকালে প্যাট্রিক শানাহান পদত্যাগ করেন। তাঁর বিরুদ্ধে পারিবারিক হিংসার অভিযোগ প্রকাশ্যে আসার পরেই এমন কিছু হল৷ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প জানান, আমি তাকে পদত্যাগ করতে বলিনি। তবে সকালে তিনি এসে বললেন, তার জন্য এটা কঠিন হয়ে পড়েছে।

প্রতিরক্ষা সচিবের পদ থেকে পদত্যাগের আগেই শানাহান এক বিবৃতিতে বলেন, ব্যক্তিগত ও পারিবারিক বেদনাদায়ক ঘটনা তুলে আনা হয়েছে। পুরো বিষয়টি ভুলভাবে ব্যাখ্যা করা হয়েছে৷ ওয়াশিংটন পোস্ট শানাহানের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, ২০১১ সালের ঘটনা তুলে ধরে জানান, ওই সময়ে তার ১৭ বছর বয়সী ছেলে বেসবলের ব্যাট দিয়ে মাকে আঘাত করে মাথা ফাটিয়ে ফেলেছিল। এফবিআই ২০১০ সালে শানাহান ও তার প্রাক্তন স্ত্রীর একে-অপরের বিরুদ্ধে নির্যাতনের অভিযোগটি তদন্ত করছে।

শানাহানের পদত্যাগের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক কূটনীতিও গুরুত্ব পাচ্ছে বেশি৷ পারস্য উপসাগরের উত্তেজনাকর পরিস্থিতি ও মার্কিন মুলুকের নির্বাচন ঘিরে আন্তর্জাতিক মহল আলোড়িত৷ যদিও ইরানের সর্বচ্চো নেতা আয়াতুল্লা আলি খামেনেই জানিয়েছেন, কোনওভাবেই মার্কিন চাপের সামনে নতি স্বীকার করা হবে না৷ একই সুরে আমেরিকাকে কটাক্ষ করেছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন৷

শানাহানের স্থলাভিষিক্ত নতুন মার্কিন প্রতিরক্ষা সচিব মার্ক এসপার ইরাক যুদ্ধে অংশ নেন৷ ২০১৭ সাল থেকে তিনি আর্মি সেক্রেটারি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।