অভিষেক কোলে: গত বছর দিল্লির বিরুদ্ধে গুরুত্বপূর্ণ সেমিফাইনালে শেষবার বাংলার হয়ে মাঠে নেমেছিলেন মহম্মদ শামি। চলতি মরশুমের প্রথম দু’ম্যাচে তারকা পেসারকে দলে পায়নি মনোজরা। শেষমেশ অস্ট্রেলিয়া সফরে উড়ে যাওয়ার আগে কেরলের বিরুদ্ধে রঞ্জির তৃতীয় রাউন্ডের ম্যাচে নিজেই খেলার ইচ্ছা প্রকাশ করেন শামি। সেইমতো সচিন বাবিদের বিরুদ্ধে বাংলার জার্সিতে দলে ফেরেন তিনি।
শামিকে স্বাগত জানানোর জন্য ঘাসের হালকা আস্তরন নিয়ে তৈরি ছিল ইডেনের বাইশগজ। তবে তাঁর ভাগ্য খারাপ বাংলা টস হেরে বসায়। মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে রঞ্জির শেষ ম্যাচে ইডেনের পিচে তেমন একটা প্রান ছিল না। তবে কেরল  ম্যাচে ইডেনের পিচ ফেরে পরিচিত ছন্দে। আক্ষরিক অর্থে গ্রিনটপ না হলেও গতি ও বাউন্স রয়েছে পর্যাপ্ত। বাংলা চার পেসারে দল সাজালেও প্রথম দিনের তাজা পিচে বল করার সুযোগ হাতছাড়া হয় শামিদের।
সেদিক থেকে কেরল টসে জিতে প্রথমে বল করার সিদ্ধান্ত নেওয়ায় বাসিল থাম্পি-ওয়ারিয়ররা কার্যত আগুন ঝরায় ইডেনে। ফলে ম্যাচের প্রথম সেশনে তিন উইকেট হারিয়ে চাপে বাংলা। ইনিংসের গোড়াপত্তন করতে নেমে কৌশিক ঘোষ শূন্য রানে আউট হন। তিন নম্বরে ব্যাট করতে নেমে সুদীপ চট্টপাধ্যায়ও খাতা খুলতে পারেননি। অভিষেক রামন ৪০ রান করে সাজঘরে ফেরেন। অনুষ্টুপকে সঙ্গে নিয়ে মনোজ লাঞ্চের আগের বাকি সময়টুকু নির্বিঘ্নে কাটিয়ে দেন। বাংলা প্রথম দিনের মধ্যাহ্নভোজের বিরতিতে ৩ উইকেটে ৭৭ রান তুলেছে।
ম্যাচের দিন সকালে দলের সঙ্গে যোগ দেওয়া শামি ফিটনেস ট্রেনিং ছাড়াও প্র্যাক্টিস পিচে বেশ কিছুক্ষণ বল করেন। লাঞ্চের বিরতিতে সাইড পিচে পূর্ণ রানআপে বোলিং অনুশীলনও করেন তিনি। আপাতত বল হাতে কেরলের ব্যাটিং লাইনআপকে বিব্রত করার অপেক্ষায় রয়েছেন শামি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা