নয়াদিল্লি: দিল্লিতে এ আইসিসির অন্তর্বর্তী দায়িত্ব দেওয়া হল শক্তি সিং গোহিলের হাতে। বুধবার এমনটা ঘোষণা করেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তীকালীন সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

দিল্লি নির্বাচনের ফল বেরনোর পরে সব দায় নিজের কাঁধে নিয়ে পদত্যাগ করেছিলেন দিল্লি কংগ্রেস প্রধান সুভাষ চোপড়া। তার সঙ্গে সরে দাঁড়িয়েছিলেন দিল্লি কংগ্রেসের ইনচার্জ পিসি চাকো। জানা গিয়েছে দুজনের ইস্তফাপত্র গ্রহন করেছেন কংগ্রেস নেত্রী সোনিয়া গান্ধী।

গতবারের মতই এবারেও দিল্লি নির্বাচনে খালি হাতে ফিরতে হয়েছে কংগ্রেসকে। গত লোকসভা নির্বাচনের মতোই এবারেও কংগ্রেসের ঝুলিতে আসন সংখ্যা ০।

এবারে আরজেডির সঙ্গে যত করে ভোটের ময়দানে নেমেছিল কং। সেই কারণে ৪ টি আসন ছেড়ে দিয়ে মোট ৬৬ টি আসনে প্রার্থী দিয়েছিল কংগ্রেস। কিন্তু এইরকম অবস্থা দেখে রীতিমত অবাক অনেকেই।

যদিও দিল্লিতে পরপর ৩ বার ক্ষমতা ধরে রেখেছিল কংগ্রেস। মুখ্যমন্ত্রী শীলা দীক্ষিতের নেতৃত্বে যেমন ভরসা ছিল দলের নেতা-কর্মীদের, ঠিক তেমনই তাঁর উপর আস্থা রেখেছিলেন দিল্লিবাসী। তবে সেসব এখন অতীত। ভোটের প্রচারেও তেমন দাগ কাটতে পারেনি হাত-শিবির। সেভাবে কোনও ইস্যু নিয়েই ভোটারদের সামনে সওয়াল করতে দেখা যায়নি কংগ্রেসকে। কিন্তু এই ফল অবাক করেছে অনেক বিশেষজ্ঞকেই।

রাজধানীতে কংগ্রেসের এই ভরাডুবির জেরে দলের হাইকম্যান্ডকেই নিশানা করেছেন প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের কন্যা তথা কংগ্রেস নেত্রী শর্মিষ্ঠা মুখোপাধ্যায়। শীর্ষ নেতৃত্বের দলের সংগঠন নিয়ে ভেবে দেখার সময় এসেছে বলেও জানিয়েছেন প্রণব-কন্যা। যদিও অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।