কলকাতা: চতুর্দশ আইপিএলের মিনি নিলামে যে সকল ভারতীয় ক্রিকেটারের দিকে নজর ছিল, তাদের মধ্যে অন্যতম ছিলেন শাহরুখ খান। তামিলনাড়ুর বিধ্বংসী ব্যাটসম্যানকে ৫ কোটি ২৫ লক্ষ টাকায় কেনে প্রীতি জিন্টার পঞ্জাব কিংস। আইপিএল শুরুর ঠিক আগে বছর পঁচিশের এই হার্ড-হিটিং ব্যাটসম্যানে মজে প্রীতির দলের প্রধান কোচ তথা ডিরেক্টর অফ ক্রিকেট অপারেশন অনিল কুম্বলে৷

পাওয়ার হিটিং দক্ষতায় শাহরুখকে ক্যারিবিয়ান সুপারস্টার কাইরণ পোলার্ডের সঙ্গে তুলনা করলেন কুম্বলে৷ পঞ্জাব কিংসের আগে মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মেন্টর ছিলেন টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন কোচ৷ মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের নেটে পোলার্ডকে বোলিং করার অভিজ্ঞতা রয়েছে কুম্বলের৷ সেই তুলনা টেনে তামিলনাড়ুর এই হার্ড হিটিং ব্যাটসম্যানের প্রশংসা করেন পঞ্জাব কিংসের কোচ৷

কুম্বলে বলেন, ‘ও আমাকে পোলার্ডের কথা মনে করিয়ে দিয়েছে৷ আমি যখন মুম্বই ইন্ডিয়ান্সে ছিলাম, নেটে পোলার্ডের বিধ্বংসী ব্যাটিং দেখেছি৷ নেটে আমি কখনও কখনও বোলিং করেছি৷ প্রথমেই আমি ওকে বলেছিলাম, সোজা না-মারতে৷ তবে এখানে বল করার চেষ্টা করব না৷ আমার বয়স হয়েছে৷ বোলিং করার অনুমতি দেবে না৷ সুতারং আমি শাহরুখকে বোলিং করতে যাব না৷’

গতবছর নিলামে ব্রাত্য ছিলেন শাহরুখ। কিন্তু চতুর্দশ আইপিএলে তামিলনাড়ুর ঘরোয়া ক্রিকেট তারকার দল পাওয়ার যে ব্যাপক সম্ভাবনা তৈরি হয়েছিল৷ শেষ পর্যন্ত তাঁকে বেশ দাম দিয়েই কেনে পঞ্জাব৷ নিলামের ঠিক আগে লকডাউন পরবর্তী সৈয়দ মুস্তাক আলি টি-২০ টুর্নামেন্টে ব্যাট হাতে সাড়া জাগিয়েছিলেন শাহরুখ। সেমিফাইনালে তাঁর ১৯ বলে ঝোড়ো ৪০ রানের ইনিংসে ভর করেই ফাইনালের টিকিট নিশ্চিত করেছিল তামিলনাড়ু।

নিলামে দল পাওয়ার পর শাহরুখ বলেছিলেন, ‘দুপুর তিনটেয় নিলাম শুরু হয়েছিল৷ আমরা তখন হোলকর স্টেডিয়ামে প্র্যাকটিস করছিলাম৷ আমি ফিজিওকে বলেছিলাম, নিলামে আমার নাম উঠলে জানাতে৷ প্র্যাকটিসে ব্রেক নিয়ে যখন টেলিভিশনে নিলাম দেখেছিলাম, তখনও আমার নাম ওঠেনি৷ প্র্যাকটিস শেষ টিম বাসে হোটেলে ফেরার সময়ও মনে হয়েছিল আমার নাম উঠবে৷ আমার হৃদস্পন্দন জোর হচ্ছিল৷ কিন্তু এত দাম পাব ভাবিনি৷’

তামিলনাড়ুর হয়ে ঘরোয়া ক্রিকেটে এখনও পর্যন্ত ৩১টি টি-২০ ম্যাচে ২৯৩ রান করেছেন শাহরুখ। এছাড়া তামিলনাড়ুর হয়ে ২০টি লিস্ট-এ এবং পাঁচটি প্রথমশ্রেণির ম্যাচও খেলেছেন পঞ্জাব কিংসের এই হার্ড-হিটিং ব্যাটসম্যান৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.