দুবাই: দুবাই ট্যুরিজমের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর তিনি। আমিরশাহীতে আইপিএল শুরুর আগে ব্র্যান্ড অ্যামাসেডর শাহরুখের দলকে অভ্যর্থনা জানিয়ে দুবাই ডাউনটাউনের প্রাণ বুর্জ খলিফা উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছিল বেগুনি আলোয়। যদিও টুর্নামেন্টের প্রথম দু’টি ম্যাচ দুবাইয়ে নয়, বরং আবু ধাবিতে খেলেছিল দীনেশ কার্তিক অ্যান্ড কোম্পানি। টুর্নামেন্টে বুধবার রাজস্থান রয়্যালসের বিরুদ্ধে প্রথমবার দুবাই স্টেডিয়ামে খেলতে নামে নাইটরা।

কিং খানের উপস্থিতি যেন অ্যাডিনালিনের কাজ করছিল নাইটদের৷ বিশেষ করে ফিল্ডিংয়ের সময় রয়্যালস ব্যাটসম্যানদের চেপে ধরেছিল শাহরুখের উপস্থিতি তারই প্রমাণ করে৷ ‘রয়্যালস বধ’ করে কিং খান-কে দুর্দান্ত জয় উপহার দেয় নাইটরা৷ ১৭৫ রান তাড়া করতে নেমে ৯ উইকেটে ১৩৭ রানে থেমে যায় রাজস্থান ইনিংস৷ মরু শহরে শাহরুখের উপস্থিতি আর এক মরু শহরের দলকে হেলায় হারাল কেকেআর৷

আর দুবাইয়ে দলের প্রথম ম্যাচ দেখতে মরুশহরে ছুটে গেলেন নাইটদের কো-ওনার শাহরুখ খান। এদিন দুবাই ক্রিকেট স্টেডিয়ামের স্ট্যান্ডে শুরু থেকেই ছিল কিং খানের উপস্থিতি। স্ত্রী গৌরী খান এবং পুত্র আরিয়ানকে সঙ্গে নিয়ে মরুশহরে নাইটদের তাতাতে পৌঁছে গিয়েছিলেন বলিউডের বাদশা। ম্যাচ শুরুর আগে কেকেআর ফ্র্যাঞ্চাইজির তরফ থেকে একটি ফেসবুক লাইভ করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন ফ্র্যাঞ্চাইজি সিইও ভেঙ্কি মাইসোর। শাহরুখ যে দলের ম্যাচ দেখতে দুবাই স্টেডিয়ামে উপস্থিত থাকছেন, সেকথা জানিয়েছিলেন তিনি।

লম্বা চুলে রোদচশমা চোখে শাহরুখের পরনে এদিন ছিল নাইট রাইডার্সের লোগো দেওয়া একটি আপার। মাথায় পার্পল রং’য়ের বিনি ক্যাপ। আরিয়ানের পরনে ছিল পার্পল রং’য়ের নাইটদের লোগো দেওয়া ফুল স্লিভ টি-শার্ট। শাহরুখের সামনে টুর্নামেন্টে টানা দ্বিতীয় জয়ের লক্ষ্যে এদিন প্রথমে ব্যাট করে নাইটরা। টস জিতে কেকেআর’কে প্রথমে ব্যাটিং’য়ের আমন্ত্রণ জানান রয়্যালস অধিনায়ক স্টিভ স্মিথ। কিন্তু টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচেও ওপেনে নেমে ব্যর্থ সুনীল নারিন। ১৪ বলে মাত্র ১৫ রানে ফেরেন তিনি। দ্বিতীয় উইকেটে নিতিশ রানার সঙ্গে জুটিটা দারুণ জমেছিল গত ম্যাচের নায়ক শুভমান গিলের। জুটিতে এই দুই ব্যাটসম্যান ৪৬ রান যোগ করেন। কিন্তু দশম ওভারের শেষ বলে নিতিশ রানা আউট হতেই ছন্দপতন হয় নাইটদের।

নিশ্চিত অর্ধশতরানের দিকে এগোতে থাকা গত ম্যাচের নায়ক গিল ফেরে ৪৭ রানে। তিনটি ছক্কা হাঁকিয়ে জ্বলে ওঠার বার্তা দিলেও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি দ্রে রাসের ধ্বংসাত্মক ব্যাটিং। ১৪ বলে ২৪ রান করে ডাগ আউটে ফেরেন ক্যারিবিয়ান পাওয়ার হিটার। শেষ পাঁচ ওভারে দলের রানকে টেনে নিয়ে যান মর্গ্যান। কামিন্স এসে ১০ বলে ১২ রান করে আউট হন।

২৩ বলে অপরাজিত ৩৪ রানের মূল্যবান ইনিংসে ২০ ওভারে নাইটদের রান ১৭০-এর গন্ডি পেরোতে সাহায্য করেন সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে ইংরেজ অধিনায়ক। তাঁর ইনিংসে ছিল ১টি চার এবং ২টি ছয়। ৫ বলে ৮ রানে অপরাজিত থাকেন কমলেশ নাগারকোটি। নির্ধারিত ২০ ওভারে ৬ উইকেট হারিয়ে ১৭৪ রানে শেষ করে নাইটরা।

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।