মুম্বইঃ করোনায় বিপর্যস্ত গোটা দেশ। উত্তরোত্তর বেড়েই চলেছে সংক্রমণ। সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে মৃত্যু সংখ্যাও। ভয়ে কাবু হয়ে আছে গোটা দেশ। সস্তি মিলছে না কিছুতেই। রোজ টিভির পর্দায়, খবরের কাগজে কেবলই করোনার ভয়াবহ দৃশ্য। এই খারাপ থাকার মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছোট একটি অনুপ্ররণামূলক বার্তা শেয়ার করলেন শাহিদ কাপুর। গতকাল অনুগামীদের জন্যে নিজের ইনস্টাগ্রামে ‘পিকচার অফ হ্যাপিনেস’ (PICTURE OF HAPPINESS) এর ছবি শেয়ার করে দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন তিনি।

বলিউডের ‘কবির সিং’ (Kabir Singh) এর সোশ্যাল মিডিয়ার এই ছবিতে, একটি পরিবারের সকল সদস্য একসঙ্গে শুয়ে আছে ভাঙা একটা বিছানার উপর। মাথার উপরের ছাদ থেকে টোপে টোপে জল পড়ছে বৃষ্টির। জল থেকে বাঁচতে মাথায় ছাতা ধরে আছে তারা। কিন্তু অদ্ভুত বিষয় এত প্রতিকূলতার মধ্যেও ঘুমানোর সময় পরিবারের প্রত্যেকের মুখে রয়েছে হাসি।

এই ছবি পোস্টের সঙ্গে শাহিদ ছবির পিছনের ইতিহাসটা তুলে ধরেছেন অনুগামীদের কাছে। তিনি লিখেছেন, ‘একবার তুরস্কের এক বিখ্যাত কবি নাজিম হিকমাট তার কাছের বন্ধু আবিদিন ডিন, যিনিও এখন তুরস্কের জনপ্রিয় শিল্পী এবং চিত্রকর তাঁকে অনুরোধ করেন হ্যাপিনেস বা খুশি থাকার একটি ছবি আঁকার জন্যে। তখন আবিদিন ডিন এই ছবিটি এঁকেছিলেন’। শাহিদ আরও লিখেছেন, ‘Happiness is not absence of sufferings but acceptance of suffegings…’। অর্থাৎ তিনি বোঝাতে চেয়েছেন, সুখ কখনই এমন নয় যেখানে কোন দুঃখই থাকবে না। দুঃখটাকে হাসি মুখে গ্রহণ করতে পারলেই প্রকৃত সুখের সন্ধান পাওয়া যায়।

করোনা কালে প্রতিটা মানুষ দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছেন। তাই সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ছোট্ট বার্তার মাধ্যমে শাহীদ তার অনুগামী এবং তার আশেপাশের প্রতিটা মানুষজনকে এই কঠিন সময়ের মধ্যেও ভাল থাকার প্রেরণা দিচ্ছেন। দুশ্চিন্তায় মানুষ আরও অসুস্থ হয়ে পড়ছে। শরীরের আগেই মনের অসুখ চলে আসছে। অভিনেতার এই অনুপ্রেরণা দায়ক পোস্টে একাধিক বলিউড সেলেব এবং তার অনুগতরা সহমত জানিয়েছেন।

কাজের প্রসঙ্গে, শাহিদ কাপুরকে শীগ্রই দেখা যাবে ‘জার্সি’ (Jersey) ছবিতে। ৩৯ বছরের শাহিদ এই ছবিতে এখন ক্রিকেটারের চরিত্রে অভিনয় করবেন। সম্প্রতি ছবির শুটিং শেষ করেছেন তিনি। ছবিতে শাহিদের বিপরীতে অভিনয় করছেন ম্রুনাল ঠাকুর।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.