করাচি: আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার’ প্রকাশিত হওয়ার পর থেকেই সংবাদ শিরোনামে তিনি। গৌতম গম্ভীর থেকে শুরু করে প্রাক্তন দেশীয় ক্রিকেটারদের নিয়ে কড়া মন্তব্যের জন্য দেশ-বিদেশে প্রবল সমালোচিত হতে হয়েছে তাঁকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেটার গম্ভীরের সঙ্গে এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আফ্রিদির উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়েরও সাক্ষী থেকেছে ক্রিকেটদুনিয়া। এরইমধ্যে আত্মজীবনীতে প্রাক্তন তারকা অল-রাউন্ডারের একটি মন্তব্য ফের নতুন করে বিতর্কের ইন্ধন দিল।

সামাজিক কারণে ও ধর্ম সংক্রান্ত নানা বিষয়ের জন্য তাঁর সন্তানদের তিনি ক্রিকেটে আনতে চান না। শুধু ক্রিকেট কেন, কোনও ধরনের আউটডোর স্পোর্টসেই তিনি সন্তানদের নিয়ে যাওয়ার পক্ষপাতী নন বলে আত্মজীবনী ‘গেম চেঞ্জার’-এ সাফ জানিয়েছেন শাহিদ আফ্রিদি। তিনি লিখেছেন, ‘সামাজিক এবং ধর্ম সংক্রান্ত নানা বিষয় উপলব্ধি করে আমি সন্তানদের ক্রীড়াজগতে পা দেওয়ার পক্ষপাতী নই। এতে নারীবাদীরা আমায় চাইলে অনেককিছুই বলতে পারেন তবে আমি আমার স্ত্রীয়ের থেকে এবিষয়ে সমর্থন পেয়েছি। একজন সংরক্ষিত পরিবারের পিতা হিসেবে এটা আমার সিদ্ধান্ত।’

আফ্রিদির চার কন্যাসন্তান আনসা, আসমারা, আজওয়া ও আকসা। তাদের কোনরকম আউটডোর স্পোর্টসে যেতে না দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণে স্ত্রী নাদিয়ার যতই সমর্থন থাক, নেটিজেনরা কিন্তু বিষয়টি মোটেই ভালোচোখে গ্রহণ করেনি। সোশ্যাল মিডিয়ায় আফ্রিদিকে ব্যাপক নিন্দায় ভরিয়ে দিয়েছেন তারা।

এই ঘটনায় স্ত্রীয়ের সমর্থনের পাশাপাশি বৃহস্পতিবার এক টেলিভিশন প্রোগ্যামে প্রাক্তন পাক অল-রাউন্ডারের পাশে দাঁড়িয়ে রাওয়ালপিন্ডি এক্সপ্রেস বলেন, ‘আফ্রিদির সঙ্গে যা ঘটেছে সেটাই ও লিখেছে৷ খেলার সময় দেখেছি ওর সঙ্গে সিনিয়ররা খুব খারাপ ব্যবহার করতে৷ আমি নিজের চোখে এই ঘটনা দেখেছি৷ সুতরাং আমি এ ব্যাপারে ওর সঙ্গে একমত৷’ আত্মজীবনীতে আফ্রিদি লিখেছেন, ১৯৯৯ ভারতের বিরুদ্ধে চেন্নাই টেস্টের নেটে তাঁকে ব্যাট করতে দেননি তৎকালীন পাক কোচ জাভেদ মিয়াঁদাদ৷

পরে ১০ সিনিয়র ক্রিকেটার আফ্রির কাছে ক্ষমাও চেয়েছিলেন বলে দাবি করেন শোয়েব৷ তিনি বলেন, ‘বেশ কয়েক বছর পর ১০ জন সিনিয়র প্লেয়ার আফ্রিদির কাছে তাদের কাজের জন্য ক্ষমা চেয়ে নেয়৷’ শুধু আফ্রিদিকে নয়, তাঁকে শারীরিকভাবেও নিগৃহীত হতে হয়েছিল সিনিয়রদের দ্বারা৷ এমনই বিষ্ফোরক দাবি করে আখতার বলেন, ‘একবার অস্ট্রেলিয়া সফলে চার খেলোয়াড় আমার দিকে ব্যাট নিয়ে আঘাত করেছিল৷’