নয়াদিল্লি: জামিনে মুক্তি মিলল দিল্লির শাহিনবাগে গুলি চালানো যুবকের। চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে শাহিনবাগে সংশোধিতা নাগরিকত্ব আইন বিরোধী মঞ্চের কাছএ চলে যায় কপিল গুজ্জর নামে এক যুবক। প্রকাশ্য সেই সমাবেশে গিয়ে আচমকা গুলি ছোড়ে কপিল। গুলি চালানোর সঙ্গেই কপিল ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগান দিতে শুরু করে। তড়িঘড়ি কপিলকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রায় ১ মাস পর শনিবার কপিলকে জামিনে মুক্তি দেয় দিল্লি হাইকোর্ট।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে দিল্লির জামিয়া নগরে শাহিনবাগে সিএএ বিরোধী মঞ্চের কাছে পৌঁছে যায় কপিল গুজ্জর নামে ওই যুবক। আচমকা পকেট থেকে পিস্তল বের করে গুলি ছুড়তে শুরু করে ওই যুবক। মুহূর্তে হুলস্থূল পড়ে যায় গোটা এলাকায়।

তড়িঘড়ি কপিলকে ধাওয়া করে ধরে ফেলে পুলিশ। আদালতে তোলা হলে ধৃতকে প্রথমে পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছিলেন বিচারপতি। শেষমেশ প্রায় এক মাস পর ব্যক্তিগত ২৫ হাজার টাকার বন্ডে দিল্লি হাইকোর্ট থেকে জামিনে মুক্তি পেল কপিল গুজ্জর।

প্রথমে কপিলের রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে ধন্দে ছিল দিল্লি পুলিশ। শাহিনবাগে গুলি চালানোর সময় মুখে ‘জয় শ্রীরাম’ স্লোগানি দিয়েছিল কপিল। প্রথমে তাকে বিজেপি সমর্থক হিসেবে ভাবা হয়েছিল। কিন্তু পরে পুলিশি তদন্তে মেলে অন্য তথ্য। জানা যায় কপিল আম আদমি পার্টির সমর্থক।

এমনকী দিল্লি পুলিশের তরফেও সেই সময় একটি ছবি প্রকাশ করা হয়েছিল। সেই ছবি দেখিয়ে পুলিশ দাবি করে এক বছর আগে কপিল আম আদমি পার্টিতে যোগ দিয়েছিল। পুলিশের দেখানো সেই ছবিতে কপিলের সঙ্গে বেশ কয়েকজন আপ নেতাকেও দেখা গিয়েছিল। শুধু মুখের কথা নয়। দিল্লি ক্রাইম ব্রাঞ্চের দাবি, জেরায় কপিল নিজেই জানায় যে সে ও তার বাবা গত বছর আম আদমি পার্টিতে যোগ দিয়েছিল।