নয়াদিল্লি: শাহিনবাগে ভালোবাসার বার্তা। প্রেম দিবসে প্রধানমন্ত্রী মোদীকে আমন্ত্রণ জানালেন শাহিনবাগের প্রতিবাদীরা। শুধু মৌখিক ভাবে জানানো না, রীতিমতো পোস্টার সাজিয়ে আমন্ত্রণ করা হয়েছে নমোকে। প্রতিবাদীদের তরফে বলা হয়েছে, শুক্রবার প্রধানমন্ত্রী এলে তাঁর জন্য থাকছে উপহারের ব্যবস্থাও।

শাহিনবাগের বিক্ষোভকারীরা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী যদি শাহিনবাগে আসেন, সেক্ষেত্রে গান গেয়ে স্বাগত জানানো হবে তাঁকে। সইদ তাসির আহমেদ নামে এক বিক্ষোভকারীর বলেন, “আজ প্রেমের দিন। আজ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী হোন বা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বা অন্য কেউ এসে আমাদের সঙ্গে কথা বলতে পারেন। তাঁরা যদি আমাদের বোঝাতে পারেন যে যা হচ্ছে তা সংবিধানবিরোধী নয়, তাহলে আমরা আন্দোলনে ইতি টানব। ফুলে-গানে স্বাগত জানাব তাঁদের।”

আহমেদ বলেন, সরকারের দাবি অনুসারে সিএএ হ’ল নাগরিকত্ব দেওয়ার আইন, এই আইন কারোর নাগরিকত্ব কেড়ে নেবে না। কিন্তু কেউ এটা বলেননি এই আইন দেশকে কীভাবে সাহায্য করবে। এই আইন দেশের বেহাল অর্থনীতির সুরাহা করা, দারিদ্র ও বেকারত্ব দূর করতে সমর্থ হবে কিনা সে প্রশ্নও তোলেন তিনি।

আরও পড়ুন –মোদীকে শপথে আমন্ত্রণ কেজরিওয়ালের

উল্লেখ্য, ডিসেম্বরের ১৫ তারিখ থেকে থেকে দিল্লির শাহিনবাগে চলছে সিএএ বিরোধী আন্দোলন। তখন থেকেই সংবাদের শিরোনামে রয়েছে দিল্লির এই এলাকা। নির্বাচনের আগে প্রতিবাদীদের উদ্দেশ্যে বারে বারে দিল্লিতে এসে কুকথার তীর চালিয়েছেন বিজেপি নেতারা। এমনকি খোদ মোদীও অভিযোগ করেছিলেন, কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির কারণেই শাহিনবাগের আন্দোলন অক্সিজেন পাচ্ছে। যদিও শাহিনবাগ আন্দোলনের তরফে বারেবারেই জানানো হয়েছে তাঁদের আন্দোলন অরাজনৈতিক।

সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ যতই থাক, শাহিনবাগ আন্দোলনকারীরা কোনও ভাবেই সংঘর্ষের রাস্তায় হাঁটেননি। বরং দু মাস আন্দোলনের পরেও দেশের প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়ে নিজেদের রসবোধের পরিচয়ই দিলেন শাহিনবাগের আন্দোলনকারীরা।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা