পাতিয়ালা: রাজস্থানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় ইনিংসে তাঁর অপরাজিত ৬১ রানের ইনিংস রুদ্ধশ্বাস জয় এনে দিয়েছিল দলকে। পঞ্জাবের বিরুদ্ধে দলের ব্যাটসম্যানরা প্রথম ইনিংসে যখন ডাহা ফেল, তখন বল হাতে ঝলসে উঠলেন শাহবাজ আহমেদ। প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রান করেও বাঁ-হাতি স্পিনারের ৭ উইকেটের সৌজন্যে পাতিয়ালায়
লড়াইয়ে ঈশ্বরণরা।

প্রথমদিন বাংলার ব্যাটিং বিপর্যয়ে এক কুম্ভে লড়াই করেন প্রাক্তন দলনায়ক মনোজ তিওয়ারি। মূলত তাঁর ৭৩ রানের ইনিংসে ভর করে প্রথম ইনিংসে ১৩৮ রান তোলে বাংলা। জবাবে ৩ উইকেটে ৯৩ রান তুলে প্রথমদিনের খেলা শেষ করে পঞ্জাব। প্রথমদিনই ঝুলিতে ২টি উইকেট ভরেছিলেন শাহবাজ। দ্বিতীয়দিনের শুরুতে গতদিনের অপরাজিত ব্যাটসম্যান রমনদীপের উইকেট তুলে নিয়ে বিপক্ষ শিবিরে প্রথম ধাক্কাটা দেন আকাশদীপ। এরপর পঞ্জাব ইনিংসের বাকি সময়টা ‘শাহবাজ শো’।

একে একে শাহবাজের ঘূর্ণিতে ঘায়েল হন মনদীপ সিং, অভিষেক গুপ্তা, বিনয় চৌধুরি, সিদ্ধার্থ কৌল ও কৃষাণ আলাং। আনমোল মালহোত্রা ৪৪ রান করে প্রথম ইনিংসে পঞ্জাবকে লিড দেওয়াতে সক্ষম হন। শেষ অবধি অর্ধশতরান থেকে ছয় রান দূরে দাঁড়িয়ে মালহোত্রা আকাশদীপের শিকার হতেই গুটিয়ে যায় পঞ্জাবের প্রথম ইনিংস। প্রথম ইনিংসে ১৩ রানে লিড নেয় মনদীপ অ্যান্ড কোম্পানি।

পিছিয়ে থেকে দ্বিতীয় ইনিংসে ফের ব্যাটিং বিপর্যয়ের সম্মুখীন হয় বাংলা। মাত্র ২১ রানের মধ্যে ফিরে যান দুই ওপেনার অভিষেক রমন ও কৌশিক ঘোষ। আবারও ব্যর্থ অধিনায়ক অভিমন্যু ঈশ্বরণ। দলের দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে রান করতে ভুলেছেন গত মরশুমে ধারাবাহিক রান করা এই ব্যাটসম্যান। যাইহোক কঠিন সময় আরও একবার দলের হাল ধরেন মনোজ তিওয়ারি। এক্ষেত্রে তাঁর সঙ্গী অর্ণব নন্দী। চতুর্থ উইকেটে অর্ণব-মনোজের ১০৭ রানের জুটিতে রসদ পায় বাংলা।

অর্ধশতরান পূর্ণ করে বেশিক্ষণ স্থায়ী হয়নি অর্ণবের ইনিংস। ৫১ রানে কৌলের শিকার হন তিনি। ৭টি চারের সাহায্যে ১১৯ বলে ৬৫ রান করে এরপর প্যাভিলিয়নে ফেরেন মনোজ। এরপর আর দ্বিতীয় বড় কোনও পার্টনারশিপ গড়তে ব্যর্থ হয় বাংলা। ২৪ রান আসে শ্রীবৎস গোস্বামীর থেকে। ২৬ রান করেন অনুষ্টুপ মজুমদার। কারও ইনিংস দীর্ঘ হয়নি।

দ্বিতীয়দিনের শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে স্কোরবোর্ডে ১৯৯ রান তুলেছে বাংলা। ১৮৬ রানে এগিয়ে তারা। ছয় পয়েন্টের লক্ষ্যে তাই ফের একবার বোলারদের দিকেই চেয়ে থাকতে হবে ঈশ্বরণদের।

পচামড়াজাত পণ্যের ফ্যাশনের দুনিয়ায় উজ্জ্বল তাঁর নাম, মুখোমুখি দশভূজা তাসলিমা মিজি।