ফাইল ছবি

কল্যাণী: মনোজ তিওয়ারির দুরন্ত ট্রিপল সেঞ্চুরিতে ভর করে হায়দরাবাদের বিরুদ্ধে রঞ্জি ম্যাচের প্রথম ইনিংসে রানের পাহাড়ে চড়ে বাংলা৷ এবার বোলারদের মিলিত প্রচেষ্টায় প্রতিপক্ষের প্রথম ইনিংস সস্তায় গুটিয়ে দিয়ে হায়দরাবাদকে ফলো-অন করতে বাধ্য করে অভিমন্যু ঈশ্বরনরা৷

আরও পড়ুন: রঞ্জিতে প্রথম ত্রিশতরান মনোজের

টস জিতে শুরুতে ব্যাট করে বাংলা ৭ উইকেটের বিনিময়ে ৬৩৫ রান তুলে তাদের প্রথম ইনিংস ডিক্লেয়ার করে৷ মনোজ তিওয়ারি ৩০৩ রানের অপরাজিত ইনিংস খেলেন৷ পালটা ব্যাট করতে নেমে হায়দরাবাদ প্রথম ইনিংসে অল-আউট হয়ে যায় ১৭১ রানে৷ বাংলার হয়ে হ্যাটট্রিকসহ সর্বাধিক ৪ উইকেট দখল করেন শাহবাজ আহমেদ৷

আরও পড়ুন: সুনীল ছেত্রীর বাড়িতে সিরিজ জয়ের পার্টি সারলেন ‘বীরুষ্কা’

বাংলার বিশাল রানের বোঝা ঘাড়ে নিয়ে ব্যাট করতে নামা হায়দরাবাদ দ্বিতীয় দিনের শেষে তাদের প্রথম ইনিংসে ৫ উইকেটের বিনিময়ে ৮৩ রান তুলেছিল৷ তার পর থেকে খেলতে নেমে তৃতীয় দিনে বাকি পাঁচ উইকেটে আরও ৮৮ রান যোগ করে তন্ময় আগরওয়ালরা৷ জাভেদ আলি দলের হয়ে সর্বোধিক ৭২ রান করেন৷ তাঁকে বোল্ড করেন শাহবাজ৷ পরের দু’টি বলে শাহবাজ এলবিডব্লিউ করেন রবি কিরণ ও চোট পেয়ে মাঠ ছাড়ার পর পুনরায় ব্যাট করতে নামা সুমন্তকে এবং ব্যক্তিগত হ্যাটট্রিক পূর্ণ করেন৷

আরও পড়ুন: দক্ষিণ আফ্রিকাকে ইনিংসে হারিয়ে সিরিজে এগোল ইংল্যান্ড

প্রথম ইনিংসে বাংলার হয়ে ৩টি করে উইকেট নেন মুকেশ কুমার ও আকাশ দীপ৷ ফলো-অন করে দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমেও স্বস্তিতে নেই হায়দরাবাদ৷ ৩৯ রানের মধ্যেই তারা টপ অর্ডারের তিন জন ব্যাটসম্যানকে হারিয়ে বসেছে৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।