ত্রিনিদাদ: দেশে মহামারী করোনা প্রকোপে দুঃস্থ মানুষের সাহায্যার্থে আগেই এগিয়ে এসেছিল শাহরুখের আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি। কিন্তু শুধু ইন্ডিয়ান প্রিমিয়র লিগ তো নয়, ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগেও সমান জনপ্রিয় শাহরুখের ফ্র্যাঞ্চাইজি দল ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স। তাই ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগ ফ্র্যাঞ্চাইজির মাধ্যমে ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগোর দুঃস্থ মানুষদের কাছেও এবার পৌঁছে গেল সাহায্য।

সম্প্রতি টিকেআর ক্রিকেটারদের হাত ধরেই ত্রিনিদাদ ও টোবাগোর করোনা পীড়িত মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছ খাদ্য সামগ্রী। ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের ক্রিকেটার ও সাপোর্ট স্টাফরা নিজেদের হাতে ১ হাজার খাদ্য সামগ্রীর ব্যাগ সম্প্রতি দুঃস্থ পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছেন। নাইটদের তরফে ড্যারেন ব্র্যাভো, সুনীল নারিন, কায়রন পোলার্ড, ডোয়েন ব্র্যাভোরা এই মহৎ কাজটি সম্পন্ন করেন। নাইট ক্রিকেটারদের সঙ্গে ছিলেন ত্রিনিদাদ ও টোব্যাগোর পুলিশ কমিশনারও।

দলের ক্রিকেটারদের এমন মানবিক দৃষ্টান্তে খুশি মালিকও। টুইটারে ব্র্যাভো, পোলার্ডদের জন্য তাঁর গর্বের কথা জানালেন কিং খান। টুইটারে খাদ্য সামগ্রী বিতরণের বেশ কিছু ছবি পোস্ট করে শাহরুখ লিখেছেন, ‘ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্স হাডকো প্রাইভেট লিমিটেডের সঙ্গে গাঁটছড়া বেঁধে এমন মহৎ কাজ সম্পন্ন করেছে। ত্রিনিদাদ অ্যান্ড টোব্যাগোর ১হাজার মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়েছে খাদ্য সামগ্রী। যারা লকডাউনের কারণে অসুবিধার মধ্যে রয়েছেন। ছেলেরা আমি তোমাদের জন্য গর্বিত।’

উল্লেখ্য, আইপিএলে কলকাতা নাইট রাইডার্সের মালিক শাহরুখ খান, জুহি চাওলা ও জয় মেহতা প্রধানমন্ত্রীর করোনা তহবিলে অর্থ সাহায্য করেছেন বেশ কিছুদিন আগেই। দুঃস্থদের সাহায্যে এগিয়ে এসেছে কিং খানের মীর ফাউন্ডেশনও। কেকেআর ফ্র্যাঞ্চাইজি ও মীর ফাইন্ডেশন যৌথ উদ্যোগে সংকটের সময়ে পশ্চিমবঙ্গ সরকার ও মহারাষ্ট্র সরকারের স্বাস্থ্যকর্মীদের জন্য প্রয়োজনীয় ৫০ হাজার পিপিই কিট বরাদ্দ করেছে।

এখানেই শেষ নয়, সাম্প্রতিক সময়ে ‘আই ফর ইন্ডিয়া’ নামক একটি অনলাইন কনসার্টের মাধ্যমে দুঃসময়ে প্রয়োজনীয় মানুষের পাশে দাড়িয়েছেন বলিউডের কলাকুশলী, ক্রীড়াজগতের নক্ষত্ররা। সেই অনলাইন কনসার্টেও অংশ নিয়েছিলেন বলিউডের বাদশা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।