কলকাতা: বাংলার ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর তিনি৷ কলকাতার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক বেশ পুরনো৷ কোভিড পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকলে ২৬ তম কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনী মঞ্চে এবারও হয়তো দেখা যেত তাঁকে৷ কিন্তু প্যান্ডেমিকের ধাক্কায় সশরীরে উপস্থিত হতে পারেননি শাহরুথ খান৷ অগত্যা মুম্বই থেকে ভার্চুয়ালি যোগ দেন উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে৷

তবে কলকাতায় আসতে না পেরে মন খারাপ বাদশার৷ শুক্রবার নবান্নের সভা ঘরে উপস্থিত অতিথিদের নজর তখন স্ক্রিনের দিকে৷ কিং খানের কথার মোহে আবিষ্ট সবাই৷ যেন কোনও যাদুর পরশ লেগেছে৷

পর্দার দুই পাড়ে থাকা দিদি-ভাইয়ের রসায়নে বুঁদ হলেন টলিউডের কুশিলবরাও৷ হোক না ভার্চুয়ালি, ভাইয়ের উপস্থিতিতে আপ্লুত হলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও৷ আরও একবার সকলের মন ছুঁয়ে গেল কিং খানের কথা৷

এদিন কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের উদ্বোধনের পর শাহরুখ বলেন, ‘‘আমার মনে হচ্ছে, যদি আজ আমি ওখানে থাকতে পারতাম৷ তবে আবারও বলি, আমি আপনাদের সবাইকে ভালোবাসি৷ আমি বাংলাকে খুব মিস করছি৷ মমতা দি আমি আপনাকে মিস করছি এবং সবচেয়ে বেশি মিস করছি আপনার আলিঙ্গন৷’’

এর পর রসিক মেজাজে শাহরুখ আরও বলেন, পরের বার দেখা হলে দু’চার বার বেশি করে আলিঙ্গন করে নেব৷ প্রসঙ্গত, প্রতি বছর মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে শাহরুখের এই আলিঙ্গনের ছবি হয়ে ওঠে সুপারহিট৷ চলচ্চিত্র উৎসবে না এলেও দিদির আবদার, রাখিতে তাঁকে কলকাতায় আসতেই হবে৷ সেই আবদার মাথা পেতেই মেনে নেন বাদশা৷ বলেন, ‘‘আমি ১০০ শতাংশ আসব৷’’

প্রসঙ্গত, এই বছরও কলকাতা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আসার জন্য শাহরুখ খানকে ফোন করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ কিন্তু করোনা পরিস্থিতির মধ্যে তাঁর আসাটা ঠিক হবে না বলেই তিনি জানান৷

এ প্রসঙ্গে শাহরুখ বলেন, ‘‘ দিদি কোনও দিনই আমার কথা শুনতে চান না৷ এই প্রথমবার এক বাক্যে সায় দিয়েছেন৷’’ গত দু’ বছর কোনও ছবিতে দেখা যায়নি শাহরুখ খানকে৷ তাঁর শেষ কোন ছবি বক্স অফিসে হিট করেছিল, সেটা বলতে গেলেও বেশ ভাবতে হয়৷ তবে তাঁকে ঘিরে তাঁর ভক্তদের উচ্ছ্বাসে কোনও ভাটা পড়েনি৷

সম্প্রতি ভক্তদের নিউ ইয়ারের শুভেচ্ছা জানিয়ে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছিলেন কিং খান৷ ২০২১ সালে বড় পর্দায় ভক্তদের সঙ্গে দেখা হবে বলেও প্রতিশ্রুতি দেন তিনি৷ আপাতত তাঁর আসন্ন ছবি ‘পাঠান’ নিয়েই ব্যস্ত রয়েছেন বাদশা৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।