মুম্বই: করোনা মোকাবিলায় সামনের সারিতে দাঁড়িয়ে লড়াই করছেন চিকিৎসক নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। প্রতিদিন জীবনের ঝুঁকি নিয়ে তাঁরা লড়াই করছেন যাতে দেশের মানুষ সুস্থ থাকতে পারে। এবার এই যোদ্ধাদের জন্য ফের একটি উদ্যোগ নিলেন অভিনেতা শাহরুখ খান। একটি তহবিল গড়ে তুললেন অভিনেতা। এই তহবিলের মাধ্যমে প্রত্যেকেই স্বাস্থ্যকর্মীদের সাহায্য করতে পারবেন।

করোনা চিকিৎসায় অন্যতম দুটি সামগ্রী হল পিপিই কিট ও ভেন্টিলেটর। শাহরুখ একটি টুইট করে জানিয়েছেন, করোনার সঙ্গে লড়তে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের পিপিই কিট ও ভেন্টিলেটর তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা নিয়েছে মীর ফাউন্ডেশন। এই মীর ফাউন্ডেশনের তহবিলে সকলকেই সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেওয়ার আবেদন করেছেন এসআরকে। তিনি লিখেছেন, এবার আপনারাও এই উদ্যোগে অংশ নিতে পারবেন। ত্রাণ তহবিলে স্বাস্থ্য়কর্মীদের জন্য পিপিই কিট ও ভেন্টিলেটর কেনার জন্য সাহায্য করুন। আপনার দেওয়া সামান্য অনুদানও অনেক বড় সাহায্য করতে পারে এই কঠিন পরিস্থিতিতে।

প্রসঙ্গত, এই প্রথম না। করোনা সঙ্কটে প্রথম থেকে সাহায্যের হাত বাড়িয়েছেন শাহরুখ। এর আগেও স্বাস্থ্যকর্মী এবং ডাক্তারদের জন্য ২৫০০০ পিপিই কিটের ব্যবস্থা করেছেন বলিউড বাদশা। প্রধানমন্ত্রীর পিএম কেয়ার ফান্ড এবং বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ অনুদান করেছেন তিনি। এছাড়াও কিং খান শাহরুখ খান ও গৌরী খান মুম্বইয়ে নিজেদের চারতলা অফিসকে কোয়ারেন্টাইন করার জন্য় দিয়ে দিয়েছেন। বৃহনমুম্বই মিউনিসিপাল কর্পোরেশন তাদের টুইটারে পোস্ট করেছেন, শিশু, মহিলা ও প্রবীণদের জন্য কোয়ারেন্টাইন করার জন্য নিজেদের ব্যক্তিগত চারতলা অফিস দিয়েছেন শাহরুখ খান ও গৌরী খান। এর জন্য ওঁদের ধন্যবাদ জানাই।

এছাড়াও দিন আনা দিন খাওয়া মানুষদের পাশে দাঁড়িয়েছেন শাহরুখ খানের ঘরনি তথা প্রযোজক-ডিজাইনার গৌরী খান। এই লকডাউনে প্রায় ১ লক্ষ মানুষের অন্নসংস্থানের দায়িত্ব নিয়েছেন তিনি। ইনস্টাগ্রামে একটি পোস্টের মাধ্যমে এই খবর নিজেই জানিয়েছিলেন গৌরী। সেই পোস্টে তিনি জানিয়েছিলেন, মুম্বইয়ের কোন কোন এলাকার কতজন মানুষের খাওয়াদাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মুম্বইয়ের গোরেগাঁও, করমালা চওল, ইন্দিরানগর, সান্তাক্রুজ, ভীমনগর, হনুমান নগর-সহ আরও বেশ কিছু এলাকার মানুষের খাবারের ব্যবস্থা করেছেন তিনি। রোটি ব্যাংক ফাউন্ডেশন এবং মীর ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে এই খাবার পৌঁছে দেওয়া হচ্ছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।