ত্রিনিদাদ: টুর্নামেন্টের অষ্টম সংস্করণে দুর্বার গতিতে ছুটছে ত্রিনবাগো নাইট রাইডার্সের বিজয়রথ। বৃহস্পতিবার ক্যারিবিয়ান প্রিমিয়র লিগের পঞ্চম ম্যাচে গায়ানা অ্যামাজন ওয়ারিয়র্সকে ৭ উইকেটে বিধ্বস্ত করল তারা। এই নিয়ে টুর্নামেন্টের প্রথম পাঁচ ম্যাচে টানা জয় ছিনিয়ে নিল নাইটরা। ব্যাট হাতে এদিন যদি নাইট শিবিরে নায়ক হন টিম সেইফার্ট, তাহলে বল হাতে নায়ক অবশ্যই খ্যারি পিয়ের। দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক শাহরুখ খান। ম্যাচ জয়ের পর টুইটারে দলের ক্রিকেটারদের অভিনন্দন জানালেন কিং খান।

কুইন্স পার্ক ওভালে বৃহস্পতিবার প্রথমে ব্যাট করে এদিন বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি শিমরন হেটমেয়ার, নিকোলাস পুরান, রস টেলর সমৃদ্ধ গায়ানা অ্যামাজনের ব্যাটিং লাইন-আপ। সর্বোচ্চ ২৬ বলে ২৮ করেন কিমো পল। হেটমেয়ার এবং টেলরের ব্যাট থেকে আসে ২৬ রান। খ্যারি পিয়ের, ফাওয়াদ আহমেদ, ডোয়েন ব্র্যাভোদের মার্জিত বোলিংয়ে ২০ ওভারে ১১২ রানের বেশি তুলতে পারেনি গায়ানা অ্যামাজন। ৪ ওভারে মাত্র ১৮ রান খরচ করে তিন উইকেট নেন পিয়ের। নাইট শিবিরে বল হাতে সবচেয়ে সফল এই ত্রিনিদাদিয়ান।

সহজ লক্ষ্যমাত্রা তাড়া করতে নেমে খুব বেশি সমস্যার সম্মুখীন হতে হয়নি নাইটদের। সিমন্স-ওয়েবস্টারের ওপেনিং জুটিতে ওঠে ৩৪ রান। ১৭ রানে আউট হন সিমন্স। এরপর শূন্য রানে ফেরেন মুনরো। ব্যক্তিগত ২৭ রানে ফেরেন ওয়েবস্টার। ৫২ রানে তৃতীয় উইকেটের পতন হয় নাইটদের। এরপর চতুর্থ উইকেটে ডারেন ব্র্যাভো এবং টিম সেইফার্টের অবিভক্ত ৬৩ রানের পার্টনারশিপ লক্ষ্যমাত্রায় পৌঁছে দেয় পোলার্ডের দলকে। ৩০ বলে ৩৯ রানে অপরাজিত থাকেন সেইফার্ট। ব্র্যাভো অপরাজিত থাকেন ২৬ রানে। ১০ বল বাকি থাকতেই প্রয়োজনীয় রান তুলে নেয় নাইটরা।

এই জয়ের ফলে ৫ ম্যাচের সবক’টিতে জয় তুলে নিয়ে লিগ শীর্ষে অবস্থান আরও মজবুত করল নাইটরা। দলের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সে উচ্ছ্বসিত শাহরুখ জয়ের পর টুইটে উদ্বুদ্ধ করেন গোটা দলকে। তবে গ্যালারির উন্মাদনা তিনি মিস করছেন বলেও জানান অভিনেতা। শাহরুখ টুইটে লেখেন, ‘ছেলেদের দুর্দান্ত পারফরম্যান্স দেখে ভালোলাগছে। ব্র্যান্ডন ম্যাককালামের দলটাকে ভালো দেখাচ্ছে। গ্যালারির নাচ-গান মিস করছি তবে চিয়ারলিডাররা তাদের যথাসাধ্য চেষ্টা করছে। টিকেয়ার ওয়েল ডান। সেইফার্ট দারুণ।’ আরেকটি টুইটে খ্যারি পিয়েরকে আলাদা করে অভিনন্দিত করেন বাদশা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।