শ্রীনগর: জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতির পর এবার শাহ ফয়জল। জম্মু ও কাশ্মীরের নেতা শাহ ফয়জলকেও এবার জন সুরক্ষা আইনে গৃহবন্দি করার ঘোষণা প্রশাসনের। গত বছর জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বাতিলের পর থেকে শাহ ফয়জলকে আটক করে রাখা হয়েছিল। এবার তাঁর বিরুদ্ধে জন সুরক্ষা আইন প্রয়োগ কেন্দ্রের।

জন সুরক্ষা আইনের জোরে কোনও ব্যক্তিকে কমপক্ষে ৩ মাস এবং প্রয়োজনে আরও দীর্ঘ সময় বিনা বিচারে বন্দি করে রাখা যাবে। আগে জম্মু ও কাশ্মীরের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী ওমর আবদুল্লা ও মেহবুবা মুফতিকে ওই একই আইনের অধীনে গৃহবন্দি করে রাখা হয়েছে। এছাড়াও গৃহবন্দি রয়েছেন ফারুখ আবদুল্লা, আলি মহম্মদ সাগর, নঈম আক্তার, সারতাজ মাদানি এবং হিলাল লোনরা।

গত বছরই রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন শাহ ফয়জল। তারপর জম্মু ও কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা প্রত্যাহার করে নেয় কেন্দ্র। দু’টি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ হয়েছে জম্মু ও কাশ্মীর। গত বছর বিদেশ যাওয়ার সময় দিল্লি বিমানবন্দরে আটক করা হয় শাহ ফয়জলকে। তখন থেকেই আটক ছিলেন তিনি। এবার আটক রাখার মেয়াদ আরও বাড়াতে ফয়জলের বিরুদ্ধে জন সুরক্ষা আইন প্রয়োগ করা হয়েছে।

শাহ ফয়জল পেশায় চিকিৎসক। কাশ্মীরে মুসলমানদের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগ তোলেন তিনি। প্রতিবাদে সরব হয়ে আইএএসের চাকরি থেকেও ইস্তফা দেন। শাহ ফয়জল ২০০৯ সালে ইন্ডিয়ান সিভিল সার্ভিস পরীক্ষায় বসেন। জম্মু ও কাশ্মীর থেকে তিনিই প্রথম এই পরীক্ষায় বসেছিলেন। পরীক্ষায় শীর্ষস্থানও দখল করেছিলেন শাহ ফয়জল।