প্রতীকী ছবি

বহরমপুর: লকডাউন উপেক্ষা করে শুক্রবার মসজিদে জমায়েত হল কয়েক হাজার লোক। মুর্শিদাবাদ জেলার বড়ঞা থানার গোপিপুরের ঘটনা। সামাজির দূরত্ব মানা তো দূরের কথা কারও মুখে নেই মাস্ক। কান্দির এসডিপিও কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী গিয়ে মানুষকে ছত্রভঙ্গ করে। মসজিদের ইমামকে ডেকে আগামী দিলে এই ধরণের জমায়েত করলে কঠোর ব্যাবস্থা গ্রহণের কথা জানিয়ে দিয়েছে পুলিশ। গ্রামবাসীরদের সামনে ইমাম ঘোষণা করেন করোনা পরিস্থিতি চলাকালীন বাড়িতে নমাজ আদায়ের।

দিল্লির নিজামুদ্দিন কান্ডে ছায়া দেখা যাচ্ছে মুর্শিদাবাদের বড়ঞাঁয়। নিজামুদ্দিন থেকে বহু মানুষের মধ্যে সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এখনও মানুষ যে সজাগ সচেতনতা নেই তা শুক্রবারের ঘটনা থেকেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। লকডাউন উপেক্ষা করে শুক্রবার বড়ঞা থানা এলাকার গোপীপুর মসজিদে হাজার লোকের জমায়েত হয় বলে অভিযোগ ছিল।

সামাজির দূরত্ব মানা তো দূরের কথা, কারও মুখে মাস্ক পর্যন্ত ছিল না। ঘটনার খবর পেয়েই কান্দির এসডিপিও কুমার সানি রাজের নেতৃত্বে বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছয়। জমায়েতকারীদের ছত্রভঙ্গ করা হয়। পাশাপাশি, মসজিদের ইমামকে ডেকে আগামী দিনে এই ধরনের জমায়েত করলে কঠোর শাস্তি দেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে পুলিশ। চাপে পড়ে গ্রামবাসীদের সামনে ইমাম ঘোষণা করেন, করোনা পরিস্থিতিতে সতর্ক থাকতে লকডাউন চলাকালীন বাড়িতে বসে নমাজ পড়ার।

একই ঘটনা দেখা গিয়েছে মুর্শিদাবাদেও। এই ঘটনায় ৪০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মধ্যপ্রদেশের চিন্দওয়ারার চৌরাইতে ওই ঘটনা ঘটে। চৌরাই পুলিশের ইন-চার্জ জানিয়েছেন, “৪০ জনকে ১৪৪ ধারা উপেক্ষা করে মসজিদের ভেতর নমাজ পড়তে দেখা গিয়েছে, তাঁদের বিরুদ্ধে মহামারী আইনে মামলা হয়েছে”।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ