ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: আগামী ৯ এপ্রিল শবে বরাত। ওইদিন লকডাউনের বিধি মেনে বাড়ি থেকে প্রার্থনা করতে মুসলিম সম্প্রদায়কে আবেদন করল ইমামদের সংগঠন। পার্সি শব্দ ‘শবে’ মানে রাত, আরবি শব্দ ‘বরাত’ মানে নিষ্কৃতি পাওয়া। খারাপ কিছু থেকে নিষ্কৃতি চেয়ে শবে বরাতের রাতভর মসজিদ, কবরস্থানে গিয়ে প্রার্থনা করেন মানুষ।

সোমবার পশ্চিমবঙ্গের ইমাম অ্যাসোসিয়েশনের তরফে অনুরোধ করা হয়ছে, , ‘শবে বরাত মুসলিমদের একটা আবেগের জায়গা। এই দিন মিছিল বা জিকির বার করেন মুসলিমরা। কিন্তু চলতি বছর লকডাউনের মধ্যে বাড়িতেই থাকুন। তাতেই সবার মঙ্গল হবে।‘ আগামী বুধ ও বৃহস্পতিবার সবে বরাত। তার পর দিনই জুম্মান নমাজ। সেদিনও রাজ্যের সমস্ত মসজিদ বন্ধ রাখতে অনুরোধ করেছে ইমাম অ্যাসোসিয়েশন। ইতিমধ্যেই নাখোদা মসজিদের ট্রাস্টি নাসের ইব্রাহিম একটি নোটিশের মাধ্যমে সকলের কাছে আবেদন জানিয়ে বলেচেন, “করোনা মোকাবিলায় আমাদের সকলকে ভীষণ সতর্ক থাকতে হবে। শবে বরাতে বাড়িতেই নমাজ পড়ুন, কোরান পাঠ করুন। ওই রাতে কোনও ভাবেই বাইরে বেরোবেন না। কবরস্থানে ভিড় করবেন না।”

বিধি মেনে রীতি পালনের ডাক দিয়েছেন ফুরফুরা শরিফের মুখ্য নির্দেশক ত্বহা সিদ্দিকি। তাঁর কথায়, “ওই রাতে কেউ ফুরফুরা দরবার শরিফে আসবেন না। বাড়ি থেকে প্রার্থনা করুন।” রেড রোডে ইদের নমাজের ইমাম ফজলুর রহমান বলেন, “লকডাউনের পর থেকে বাড়িতেই নমাজ পড়ছি। শবে বরাতের রাতেও তাই করব। আপনারাও বাড়িতে নমাজ পড়ুন।’’

করোনা সংক্রমণ যখন ভয়াল আকার নিচ্ছে তখনও মসজিদে নমাজ বন্ধে রাজি হয়নি ইমাম অ্যাসোসিয়েশন। আরব দেশে মসজিদে নমাজ বন্ধ হলেও এদেশে নমাজ বন্ধ করতে নারাজ ছিল তারা। যার জেরে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়তে হয় সংগঠনটিকে। অবশেষে লকডাউনে মসজিদে নমাজ বন্ধের ঘোষণা করল তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।